কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হাবিবুর রহমান (৩৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মৃত ওই যুবক উপজেলায় তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের জয়নাল আবেদিন এর ছেলে। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের (দলবাড়ি বিলের) পুকুর পাড়ের একটি ইউক্যালিপটাস গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। উপজেলার তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এলাকাবাসী জানায়, মৃত হাবিবুর মন্ডল একটি অটো রিকশা কেনার জন্য বাড়িতে টাকা চায়। গতকাল মঙ্গলবার একটি গরু বিক্রি করে টাকাও জোগাড় করে হাবিবুরের বাবা। বুধবার সকালে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সময় বাবা ছেলের মধ্যে মনমালিন্য হয়। পরে বাবার উপর অভিমান করে সকাল আটটার দিকে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পাশের দলবাড়ি বিলের মধ্যে পুকুর পাড়ে মাছ মারার (শিপ জাল) জালের রশি খুলে গলায় পেঁচিয়ে ইউক্যালিপটাস গাছের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। আরও পড়ুনঃ তানোরে ৪ কোটি টাকা ঘুষে ৩৫টি নলকূপের ছাড়পত্র ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, আমি ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি। এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ও পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হাবিবুর রহমান (৩৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মৃত ওই যুবক উপজেলায় তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের জয়নাল আবেদিন এর ছেলে। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের (দলবাড়ি বিলের) পুকুর পাড়ের একটি ইউক্যালিপটাস গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
উপজেলার তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এলাকাবাসী জানায়, মৃত হাবিবুর মন্ডল একটি অটো রিকশা কেনার জন্য বাড়িতে টাকা চায়। গতকাল মঙ্গলবার একটি গরু বিক্রি করে টাকাও জোগাড় করে হাবিবুরের বাবা। বুধবার সকালে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সময় বাবা ছেলের মধ্যে মনমালিন্য হয়।
পরে বাবার উপর অভিমান করে সকাল আটটার দিকে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পাশের দলবাড়ি বিলের মধ্যে পুকুর পাড়ে মাছ মারার (শিপ জাল) জালের রশি খুলে গলায় পেঁচিয়ে ইউক্যালিপটাস গাছের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, আমি ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি। এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ও পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।