নাঈম ইসলামঃ
রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে শিবিরের ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী নিয়ে ছাত্রদলের সঙ্গে শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে ক্যাম্পাস ও আশপাশ এলাকায় বহিরাগতদের অবাধ চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ জারি করে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত তা জারি হয়নি।
মঙ্গলবার বিকালে শিবির ও ছাত্রদল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির ডাক দেয়। শিবির কারমাইকেল কলেজ গেটে বিকাল ৪টায় জমায়েত ডাকে। সেখান থেকে তাদের মিছিলটি বেরোবি ক্যাম্পসে জুলাই চত্বর যাওয়ার কথা ছিল। একই সময় ছাত্রদল দুপুরে ক্যাম্পাস দখলে নিয়ে একই স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ ও রাজাকারের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচির ডাক দেয়।
বেরোবি প্রধান ফটকে এই কর্মসূচিতে এসে সাংবাদিকদের যুবদলের মহানগর কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন বলেন, আমরা দেখেছি সোমবার রাতে শিবিরের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের বহিরাগত সন্ত্রাসীরাও ছিল। আজকে তারা পুনরায় বেরোবি ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছে। তাই এখানে এসেছি যদি কোনো হামলা করা হয় তা হলে রংপুর নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ড থেকে শিবিরের নাম মুছে ফেলা হবে। আমরা রাজাকারদের ছাড় দিব না।
ছাত্রদলের বেরোবির সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়ামিন অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রশিবিরের কর্মসূচিতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার টাঙানো হয়। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেই ব্যানার সরানোর জন্য দাবি জানালে শিবিরের পক্ষ থেকে হামলা করা হয়। এতে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান আহত হন। তারই প্রতিবাদে তারা কর্মসূচি পালন করছেন। ওই ছাত্রদল নেতা শিবিরকে রাজাকারের সহযোগী সংগঠন বলে দাবি করেন। তারা শিবিরের কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসে চালাতে দিবেন না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
নাঈম ইসলাম, সদর উপজেলা (রংপুর) প্রতিনিধি 

























