আপডেট টাইম :
০১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪
২১১
বার পঠিত
বাঘায় ভোট কেন্দ্রের দুটি বিদ্যালয়ে অগ্নিসংযোগ
রাজশাহী-৬ আসনের বাঘা উপজেলার দুটি বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারী) রাতে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোতনশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আড়ানী ইউনিয়নের ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অগ্নিসংযোগের এই ঘটনা ঘটে। জোতনশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকতার বানু বেলি জানান, বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরির মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরে সেখানে গিয়ে দেখেন জানালা দিয়ে পেট্রোল ছড়িয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেশ প্রহরি মিলন হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের কক্ষে আগুন ও ধোয়া দেখে এগিয়ে যাই। চিৎকার দিলে স্থানীয়রাসহ আমি নিজে আগুন নিভিয়ে নিয়ন্ত্রণ করি। এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুরাদ আলী বলেন, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের টেবিলসহ ১৫টি চেয়ার, আলমারি ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। অফিসের পেছনের জানালার ফাঁক দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দিয়েছে তা জানতে পারেননি দুই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বিষয়টি থানায় অবগত করেছেন তারা। বাঘা থানার পরিদর্শক( তদন্ত) সবুজ রানা বলেন, বিদ্যুৎ এর শর্টসার্কিট থেকে নাকি নাশকতা করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টি তদন্ত করছেন। আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন হরতালসহ জামায়াতের ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসার তরিকুল ইসলাম বলেন, কিভাবে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে খুঁেজ বের করে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে...
রাজশাহী-৬ আসনের বাঘা উপজেলার দুটি বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারী) রাতে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জোতনশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আড়ানী ইউনিয়নের ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অগ্নিসংযোগের এই ঘটনা ঘটে।
জোতনশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকতার বানু বেলি জানান, বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরির মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরে সেখানে গিয়ে দেখেন জানালা দিয়ে পেট্রোল ছড়িয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে।
ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেশ প্রহরি মিলন হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের কক্ষে আগুন ও ধোয়া দেখে এগিয়ে যাই। চিৎকার দিলে স্থানীয়রাসহ আমি নিজে আগুন নিভিয়ে নিয়ন্ত্রণ করি।
এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুরাদ আলী বলেন, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের টেবিলসহ ১৫টি চেয়ার, আলমারি ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। অফিসের পেছনের জানালার ফাঁক দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দিয়েছে তা জানতে পারেননি দুই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বিষয়টি থানায় অবগত করেছেন তারা।
বাঘা থানার পরিদর্শক( তদন্ত) সবুজ রানা বলেন, বিদ্যুৎ এর শর্টসার্কিট থেকে নাকি নাশকতা করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টি তদন্ত করছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসার তরিকুল ইসলাম বলেন, কিভাবে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে খুঁেজ বের করে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ।