আপডেট টাইম :
০৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪
১৯৮
বার পঠিত
বাঘায় বিবাদিদের বিরুদ্ধে মারধর করে টাকা সোনার আংটি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
রাজশাহীর বাঘায় বাঁশের লাঠি ও খড়ি দিয়ে মারধর করে ৯৫ হাজার টাকা ও হাতে থাকা ৩আনা ওজনের সোনার আংটি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মীরগঞ্জ গ্রামের মুনসুর আলী নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী ৪জনের নাম উল্লেখ করে মঙ্গলবার ০৯-১০-২০২৪) রাতে বাঘা থানায় অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ শরিফ, মোঃ সিদ্দিকের ছেলে মোঃ শান্ত ইসলাম, মাহাতাব হাজীর ছেলে মোঃ বেল্লাল, মোহদীপুর গ্রামের মোঃ আলমের ছেলে মোঃ পলাশ গত মঙ্গলবার (০৮-১০-২০২৪) এমডি বেলাল আহমেদ এর ফেসবুক আইডি হতে মোঃ হাফিজুল ইসলাম হাফিজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছবি এডিট করে অপপ্রচার চালায়। বিষয়টি জানতে চেয়ে এলাকার ব্যক্তিবর্গ তাদের ডেকে পাঠান। কিন্তু তারা উপস্থিত হননি। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মীরগঞ্জ মোড়ে বসে থাকা অবস্থায় বিবাদি শরিফ ও শান্ত ও বেল্লাল বাশের লাঠি ও খড়ি দিয়ে মুনসুর আলীকে মারধর করে। এতে তার বাম হাতে ও মুখের খেতরে জখম হয়। পলাশ ও নূরসহ সকলে একযোগে এলাপাথাড়ি মারধর করে এবং টাকা ও হাতে থাকা সোনার আংটি ছিনিয়ে নেয়। এ বিষয়ে বিবাদিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুনঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পানিবন্দি ২৫ পরিবার অফিসার ইনচার্জ আবু সিদ্দিক জানান,বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সত্যতা পেলে বিবাদিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজশাহীর বাঘায় বাঁশের লাঠি ও খড়ি দিয়ে মারধর করে ৯৫ হাজার টাকা ও হাতে থাকা ৩আনা ওজনের সোনার আংটি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মীরগঞ্জ গ্রামের মুনসুর আলী নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী ৪জনের নাম উল্লেখ করে মঙ্গলবার ০৯-১০-২০২৪) রাতে বাঘা থানায় অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ শরিফ, মোঃ সিদ্দিকের ছেলে মোঃ শান্ত ইসলাম, মাহাতাব হাজীর ছেলে মোঃ বেল্লাল, মোহদীপুর গ্রামের মোঃ আলমের ছেলে মোঃ পলাশ গত মঙ্গলবার (০৮-১০-২০২৪) এমডি বেলাল আহমেদ এর ফেসবুক আইডি হতে মোঃ হাফিজুল ইসলাম হাফিজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছবি এডিট করে অপপ্রচার চালায়। বিষয়টি জানতে চেয়ে এলাকার ব্যক্তিবর্গ তাদের ডেকে পাঠান। কিন্তু তারা উপস্থিত হননি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মীরগঞ্জ মোড়ে বসে থাকা অবস্থায় বিবাদি শরিফ ও শান্ত ও বেল্লাল বাশের লাঠি ও খড়ি দিয়ে মুনসুর আলীকে মারধর করে। এতে তার বাম হাতে ও মুখের খেতরে জখম হয়। পলাশ ও নূরসহ সকলে একযোগে এলাপাথাড়ি মারধর করে এবং টাকা ও হাতে থাকা সোনার আংটি ছিনিয়ে নেয়। এ বিষয়ে বিবাদিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অফিসার ইনচার্জ আবু সিদ্দিক জানান,বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সত্যতা পেলে বিবাদিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।