আপডেট টাইম :
০৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
৩৫৮
বার পঠিত
বাঘায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বাঘায় র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “পরিবর্তনশীল ও শান্তিপূর্ণ সামজ গঠনে সাক্ষরতার প্রসার’’ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে শুক্রবার(৮ সেপ্টেম্বর) বাঘা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিবসটি পালন করা হয়। উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিন আখতারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো: জুয়েল আহাম্মেদ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতা, মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নছিম উদ্দিন, উপজেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মন্টু, মনিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বাঘা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। আরও পড়ুনঃ হাতিয়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৬ সালে জাতিসংঘ বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালনের নেয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো সাক্ষরতা দিবস উদযান করা হয় এবং ১৯৭৩ সালে সাক্ষরতা অভিযান শুরু হয় । দেশে স্বাক্ষরজ্ঞান ৭৬ ভাগ, ২৪ ভাগ মানুষ এখনো নিরক্ষর রয়ে গেছে। নিরক্ষতা দূরিকরণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বাঘায় র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “পরিবর্তনশীল ও শান্তিপূর্ণ সামজ গঠনে সাক্ষরতার প্রসার’’ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে শুক্রবার(৮ সেপ্টেম্বর) বাঘা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিবসটি পালন করা হয়।
উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিন আখতারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো: জুয়েল আহাম্মেদ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতা, মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নছিম উদ্দিন, উপজেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মন্টু, মনিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বাঘা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৬ সালে জাতিসংঘ বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালনের নেয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো সাক্ষরতা দিবস উদযান করা হয় এবং ১৯৭৩ সালে সাক্ষরতা অভিযান শুরু হয় । দেশে স্বাক্ষরজ্ঞান ৭৬ ভাগ, ২৪ ভাগ মানুষ এখনো নিরক্ষর রয়ে গেছে। নিরক্ষতা দূরিকরণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে।