ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

বরগুনায় ডেঙ্গুতে শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬

শাকিল মিয়াঃ

 

বরগুনায় ডেঙ্গুর সংক্রমণের ভয়াবহতা যেন কমছেই না। আবারও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তানহা নামে সাড়ে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে।

 

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত.তানহা বরগুনা সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের রায়ভোগ এলাকার মো: খায়রুল বাশারের মেয়ে।

 

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু বরগুনা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ জনে।

এ ছাড়া আমতলীতে ২জন, তালতলীতে ৩জন, বেতাগীতে ৪জন এবং পাথরঘাটায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৫০ জন।

 

এ বছর জেলায় এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৮৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ৯৩৩ জন। এ ছাড়া বরগুনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখন পর্যন্ত ১১ জন আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বরগুনার বাইরে চিকিৎসা নিয়ে মারা গেছেন আরও ৪৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে।

 

বরগুনা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, বর্ষা যতদিন থাকবে জেলার হাসপাতাল গুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়বে কমবে। তবে কবে নাগাত ডেঙ্গু নির্মূল হবে তা বলা যাচ্ছে না। ডেঙ্গুর স্থায়ী সমস্যা সমাধানে সকলকে সচেতন হতে হবে,জেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসনকে মশা নিধনের ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে,এখনো যে পরিমাণে বর্ষা হচ্ছে তাতে আরও আক্রান্তে সংখ্যা বাড়তে পারে।

 

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

বরগুনায় ডেঙ্গুতে শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬

আপডেট টাইম : ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
শাকিল মিয়া, বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ :

শাকিল মিয়াঃ

 

বরগুনায় ডেঙ্গুর সংক্রমণের ভয়াবহতা যেন কমছেই না। আবারও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তানহা নামে সাড়ে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে।

 

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত.তানহা বরগুনা সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের রায়ভোগ এলাকার মো: খায়রুল বাশারের মেয়ে।

 

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু বরগুনা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ জনে।

এ ছাড়া আমতলীতে ২জন, তালতলীতে ৩জন, বেতাগীতে ৪জন এবং পাথরঘাটায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৫০ জন।

 

এ বছর জেলায় এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৮৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ৯৩৩ জন। এ ছাড়া বরগুনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখন পর্যন্ত ১১ জন আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বরগুনার বাইরে চিকিৎসা নিয়ে মারা গেছেন আরও ৪৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে।

 

বরগুনা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, বর্ষা যতদিন থাকবে জেলার হাসপাতাল গুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়বে কমবে। তবে কবে নাগাত ডেঙ্গু নির্মূল হবে তা বলা যাচ্ছে না। ডেঙ্গুর স্থায়ী সমস্যা সমাধানে সকলকে সচেতন হতে হবে,জেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসনকে মশা নিধনের ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে,এখনো যে পরিমাণে বর্ষা হচ্ছে তাতে আরও আক্রান্তে সংখ্যা বাড়তে পারে।