বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রকৌশলীর মৃত্যু, কাল ছিল তার বিয়ে!
আমিরুল ইসলাম: আজ গায়ে হলুদ, কাল বিয়ের আয়োজন—চারদিকে ছিল আনন্দ আর উৎসবের প্রস্তুতি। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে মুহূর্তেই সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। নাটোরের বড়াইগ্রামে এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বর, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার জুলফিকার আলী জিল্লু (২৯)। তিনি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের আনসারুল হক প্রামাণিকের ছেলে। রোববার (২২ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি কলোনি এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণের জন্য বোন-ভগ্নিপতিকে বনপাড়া থেকে আনতে তিনি প্রাইভেটকারে করে বাড়ি থেকে রওনা হন। পথে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। যে ঘরে আজ গায়ে হলুদের আনন্দে মুখর হওয়ার কথা ছিল, সেই ঘরেই নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। হাসি-আনন্দের জায়গা দখল করেছে কান্না আর আহাজারি। এক মুহূর্তেই থেমে গেল একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিভে গেল নতুন জীবনের আলো। বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, আগামীকাল তার বিয়ে ছিল এবং সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল বলে নিহতের পরিবার জানিয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আমিরুল ইসলাম:
আজ গায়ে হলুদ, কাল বিয়ের আয়োজন—চারদিকে ছিল আনন্দ আর উৎসবের প্রস্তুতি। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে মুহূর্তেই সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।
নাটোরের বড়াইগ্রামে এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বর, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার জুলফিকার আলী জিল্লু (২৯)। তিনি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের আনসারুল হক প্রামাণিকের ছেলে।
রোববার (২২ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি কলোনি এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণের জন্য বোন-ভগ্নিপতিকে বনপাড়া থেকে আনতে তিনি প্রাইভেটকারে করে বাড়ি থেকে রওনা হন। পথে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
যে ঘরে আজ গায়ে হলুদের আনন্দে মুখর হওয়ার কথা ছিল, সেই ঘরেই নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। হাসি-আনন্দের জায়গা দখল করেছে কান্না আর আহাজারি। এক মুহূর্তেই থেমে গেল একটি পরিবারের স্বপ্ন, নিভে গেল নতুন জীবনের আলো।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, আগামীকাল তার বিয়ে ছিল এবং সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল বলে নিহতের পরিবার জানিয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।