দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
১৬৯
বার পঠিত
ফরিদপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে টেরাকোটা চায়নিজ রেস্টুরেন্ট কে বিশ হাজার টাকা জরিমানা
মানিক কুমার দাসঃ ফরিদপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ঝিল টুলিতে অবস্থিত টেরাকোটা চায়নিজ রেস্টুরেন্ট কে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলীতে অবস্হিত টেরাকোটা চায়নিজ রেষ্টুরেন্টে একটি ঝটিকা মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় খাদ্য প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। এরমধ্যে অননুমোদিত উপকরন দিয়ে খাদ্য প্রস্তুত, মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরন ব্যবহার করা, ফ্রিজে একই চেম্বারে প্রস্তুতকৃত খাবারের সাথে কাঁচা মাংশ সংরক্ষণ করা ইত্যাদি অনিয়মের কারনে অপরাধ স্বীকার করায় বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাংলাদেশ হোটেল রেস্তোরাঁ অধ্যাদেশ আইনে সচেতনতার জন্য বিশ হাজার টাকা অর্থ দন্ড আরোপ ও আদায় করেন। একই সাথে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সকল প্রকার অনিয়ম সংশোধন করে ব্যবসা পরিচালনার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। প্রচলিত এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ আজমল ফুয়াদ উপস্থিত থাকেন। প্রসিকিউশন অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোঃ বজলুর রশীদ খান। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যথারীতি দায়িত্ব পালন করেন জেলা আনসার ব্যাটেলিয়নের একটি টিম।
মানিক কুমার দাসঃ
ফরিদপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ঝিল টুলিতে অবস্থিত টেরাকোটা চায়নিজ রেস্টুরেন্ট কে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলীতে অবস্হিত টেরাকোটা চায়নিজ রেষ্টুরেন্টে একটি ঝটিকা মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় খাদ্য প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
এরমধ্যে অননুমোদিত উপকরন দিয়ে খাদ্য প্রস্তুত, মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরন ব্যবহার করা, ফ্রিজে একই চেম্বারে প্রস্তুতকৃত খাবারের সাথে কাঁচা মাংশ সংরক্ষণ করা ইত্যাদি অনিয়মের কারনে অপরাধ স্বীকার করায় বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাংলাদেশ হোটেল রেস্তোরাঁ অধ্যাদেশ আইনে সচেতনতার জন্য বিশ হাজার টাকা অর্থ দন্ড আরোপ ও আদায় করেন। একই সাথে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সকল প্রকার অনিয়ম সংশোধন করে ব্যবসা পরিচালনার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।
প্রচলিত এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ আজমল ফুয়াদ উপস্থিত থাকেন।
প্রসিকিউশন অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোঃ বজলুর রশীদ খান।
আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যথারীতি দায়িত্ব পালন করেন জেলা আনসার ব্যাটেলিয়নের একটি টিম।