আপডেট টাইম :
০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৪৬
বার পঠিত
-ছবি প্রতীকী।
ফরিদপুরে পানিতে ডুবে দাদি নাতি সহ তিনজনের মৃত্যু
মানিক কুমার দাসঃ ফরিদপুরে পানিতে ডুবে দাদি নাতি সহ তিনজনের মৃত্যু হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুজনকে উদ্ধার করা গেলে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত অপর নাতিকে উদ্ধার করা যায়নি। জানা গেছে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর অনুমান ১.৩০ মিনিটের দিকে দাদি মালা বেগম (৬০) স্বামী দেরাজ উদ্দিন মৃধা, সাং- মধ্য ভাসানচর, থানা কোতোয়ালী, জেলা ফরিদপুর ও তাহার দুই নাতি তৌসিফ মৃধা ও সোয়াদ মৃধা কে নিয়ে দুপুর বাড়ির পাশে নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে অনেক স্রোত ছিল , তৌসিফ মৃধা ও সোয়াদ মৃধা সাঁতার না জানার কারণে তারা দুইজনেই স্রোতের পানিতে তলিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে যে, তাদের দাদি মালা বেগম তাদেরকে সাঁতরে উদ্ধার করতে গেলে তিনি নিজেও তাহার পরিহিত শাড়ি কাপড়ে প্যাচ লেগে সাতরাতে না পেরে স্রোতের পানিতে তলিয়ে যায়। বিকাল অনুমান চারটার সময় সময় এলাকার লোকজন আবুল মেম্বার এর বাড়ির পাশে নদীতে লাশ ভাসতে দেখে, তখন এলাকার মানুষ নদীতে নেমে মালা বেগম এবং তার নাতি তৌসিফ মৃধার লাশ দেখে নদীর পানি থেকে তাদের লাশ উপরে উঠায়। সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। মালা বেগমের আরেক নাতি সোয়াদ মৃধাকে এখনো পাওয়া যায় নাই।নদীতে সোয়াদ মৃধার লাশের খোঁজাখুঁজি অব্যাহত আছে।
মানিক কুমার দাসঃ
ফরিদপুরে পানিতে ডুবে দাদি নাতি সহ তিনজনের মৃত্যু হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় দুজনকে উদ্ধার করা গেলে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত অপর নাতিকে উদ্ধার করা যায়নি।
জানা গেছে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর অনুমান ১.৩০ মিনিটের দিকে দাদি মালা বেগম (৬০)
স্বামী দেরাজ উদ্দিন মৃধা, সাং- মধ্য ভাসানচর, থানা কোতোয়ালী, জেলা ফরিদপুর ও তাহার দুই নাতি তৌসিফ মৃধা ও সোয়াদ মৃধা কে নিয়ে দুপুর বাড়ির পাশে নদীতে গোসল করতে যায়।
নদীতে অনেক স্রোত ছিল , তৌসিফ মৃধা ও সোয়াদ মৃধা সাঁতার না জানার কারণে তারা দুইজনেই স্রোতের পানিতে তলিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে যে, তাদের দাদি মালা বেগম তাদেরকে সাঁতরে উদ্ধার করতে গেলে তিনি নিজেও তাহার পরিহিত শাড়ি কাপড়ে প্যাচ লেগে সাতরাতে না পেরে স্রোতের পানিতে তলিয়ে যায়।
বিকাল অনুমান চারটার সময় সময় এলাকার লোকজন আবুল মেম্বার এর বাড়ির পাশে নদীতে লাশ ভাসতে দেখে, তখন এলাকার মানুষ নদীতে নেমে মালা বেগম এবং তার নাতি তৌসিফ মৃধার লাশ দেখে নদীর পানি থেকে তাদের লাশ উপরে উঠায়।
সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। মালা বেগমের আরেক নাতি সোয়াদ মৃধাকে এখনো পাওয়া যায় নাই।নদীতে সোয়াদ মৃধার লাশের খোঁজাখুঁজি অব্যাহত আছে।