ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনঃ গোপালগঞ্জ-১

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন শিমুল; পাল্টাবে ভোটের সমীকরণ!

লিয়াকত হোসেন লিংকনঃ

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুল তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তাঁর এ প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় এ গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও বিশ্লেষকরা।

 

আজ সোমবার (১২ জানুয়ারী) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে তৃতীয় দিনের আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশরাফুল আলম শিমুলের ছোট ভাই ব্যারিস্টার নাজমুল আলম।

 

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান প্রার্থীর ওয়ান পার্সেন্ট ভোটারের স্বাক্ষর জটিলতার কারণে শিমুলের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।

 

শিমুল এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তাঁর আপিল গ্রহণ করে এবং প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করে আদেশ দেয়।

 

উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, আশরাফুল আলম শিমুল ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান, ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ২০২২ সালে মুকসুদপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। এ পর্যন্ত তিনি যতগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, কোন নির্বাচনেই তিনি পরাজিত হননি। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যদিয়েও তিনি প্রতিটি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

 

শিমুলের পারিবারিক পরিচিতি ও তাঁর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ। তাঁর পিতা খায়রুল বাকী মিয়াও এলাকায় বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। পিতার উত্তরসূরি হিসেবে শিমুলও বর্তমানে এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে বিধিনিষেধ: ১২৬ ফ্লাইটের ১৯ হাজার ৩৭৭ যাত্রী ভোগান্তিতে

error: Content is protected !!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনঃ গোপালগঞ্জ-১

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন শিমুল; পাল্টাবে ভোটের সমীকরণ!

আপডেট টাইম : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
লিয়াকত হোসেন লিংকন, নিজস্ব প্রতিনিধি :

লিয়াকত হোসেন লিংকনঃ

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুল তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তাঁর এ প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় এ গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও বিশ্লেষকরা।

 

আজ সোমবার (১২ জানুয়ারী) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে তৃতীয় দিনের আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশরাফুল আলম শিমুলের ছোট ভাই ব্যারিস্টার নাজমুল আলম।

 

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান প্রার্থীর ওয়ান পার্সেন্ট ভোটারের স্বাক্ষর জটিলতার কারণে শিমুলের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।

 

শিমুল এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তাঁর আপিল গ্রহণ করে এবং প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করে আদেশ দেয়।

 

উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, আশরাফুল আলম শিমুল ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান, ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ২০২২ সালে মুকসুদপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। এ পর্যন্ত তিনি যতগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, কোন নির্বাচনেই তিনি পরাজিত হননি। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যদিয়েও তিনি প্রতিটি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

 

শিমুলের পারিবারিক পরিচিতি ও তাঁর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ। তাঁর পিতা খায়রুল বাকী মিয়াও এলাকায় বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। পিতার উত্তরসূরি হিসেবে শিমুলও বর্তমানে এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়।