পাংশায় সোমবার সকালে চন্দনা রেগুলেট থেকে পদ্মা নদীর উৎসমুখ পর্যন্ত চন্দনা নদীর পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন কালিকাপুর ইউপির চেয়ারম্যান আতিউর রহমান নবাব ও হাবাসপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক বিশ্বাস।
পাংশায় চন্দনা রেগুলেটর-পদ্মা নদীর উৎসমুখ পর্যন্ত পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন
রাজবাড়ী জেলার পাংশায় সোমবার ২২ ফেব্রæয়ারী সকালে চন্দনা রেগুলেটর থেকে পদ্মা নদীর উৎসমুখ পর্যন্ত চন্দনা নদীর পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন কালুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, কালিকাপুর ইউপির চেয়ারম্যান আতিউর রহমান নবাব ও পাংশার হাবাসপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক বিশ্বাস। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আবু সাল্লেক, আব্দুল মতিন, আবুল কাশেম, সেলিম, মুসা ও মন্টুসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, চন্দনা-বারাশিয়া নদী খনন প্রকল্পের আওতায় চন্দনা নদীর পদ্মার উৎসমুখ থেকে চন্দনা রেগুলেটর পর্যন্ত ১কোটি ২২লাখ টাকা ব্যয়ে ২হাজার ১শ মিটার চন্দনা নদীর পুনঃখনন প্রকল্পের বরাদ্দ হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত¡াবধানে প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিউর রহমান নবাব ও হাবাসপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক বিশ্বাস বলেন, চর পড়ে নদী সংকীর্ণ এবং পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। চন্দনা নদী পুনঃখননের ফলে নদীর গভীরতা হবে। ফলে নদীতে পানি থাকবে।
রাজবাড়ী জেলার পাংশায় সোমবার ২২ ফেব্রæয়ারী সকালে চন্দনা রেগুলেটর থেকে পদ্মা নদীর উৎসমুখ পর্যন্ত চন্দনা নদীর পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন কালুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, কালিকাপুর ইউপির চেয়ারম্যান আতিউর রহমান নবাব ও পাংশার হাবাসপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক বিশ্বাস। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আবু সাল্লেক, আব্দুল মতিন, আবুল কাশেম, সেলিম, মুসা ও মন্টুসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, চন্দনা-বারাশিয়া নদী খনন প্রকল্পের আওতায় চন্দনা নদীর পদ্মার উৎসমুখ থেকে চন্দনা রেগুলেটর পর্যন্ত ১কোটি ২২লাখ টাকা ব্যয়ে ২হাজার ১শ মিটার চন্দনা নদীর পুনঃখনন প্রকল্পের বরাদ্দ হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত¡াবধানে প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।
কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিউর রহমান নবাব ও হাবাসপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক বিশ্বাস বলেন, চর পড়ে নদী সংকীর্ণ এবং পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। চন্দনা নদী পুনঃখননের ফলে নদীর গভীরতা হবে। ফলে নদীতে পানি থাকবে।