পাংশার কশবামাজাইল নাদির হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা রাশিদা বানু’র ইন্তেকাল
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কশবামাজাইল নাদির হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা রত্নগর্ভা রাশিদা বানু (রানু) শনিবার ২৮ আগস্ট ভোরে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাশিদা বানু (রানু) পাংশার কশবামাজাইল ইউপির পরপর তিনবার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম জিয়াউর রহমান বিশ্বাস অরফে ফটিক চেয়ারম্যানের স্ত্রী। ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিক রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। জানা যায়, শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে এ্যাম্বুলেন্সে মৃতদেহ পাংশার কশবামাজাইলের বিশ্বাস বাড়িতে নেওয়া হলে শোকাহত আত্মীয়-স্বজন শেষবারের মত তার মুখখানা দেখতে ভিড় জমায়। শনিবার আসর নামাজের পর জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমার দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ৩ পুত্র, ৫ কন্যা সন্তান, নাতি-নাতনিসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। কশবামাজাইল বিশ্বাস বাড়ির কৃতিসন্তান, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের সদস্য ও কশবামাজাইল ইউপি আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বিশ্বাস বলেন, এলাকায় নারী শিক্ষার প্রসারে রাশিদা বানু রানু’র অবদান রয়েছে। তার আদর্শ ও অনুপ্রেরণার ফলেই তার ছেলেমেয়েরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষকতা পেশায় স্কুলে সকল ছাত্র-ছাত্রীকে সন্তান সম ভেবে পাঠদান করতেন। বাড়ির ছোট বড় সবাইকে তিনি আদর্শ মানুষ হওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগাতেন। তার নীতি, নৈতিকতা ও আদর্শ অনুসরণীয়।
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কশবামাজাইল নাদির হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা রত্নগর্ভা রাশিদা বানু (রানু) শনিবার ২৮ আগস্ট ভোরে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাশিদা বানু (রানু) পাংশার কশবামাজাইল ইউপির পরপর তিনবার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম জিয়াউর রহমান বিশ্বাস অরফে ফটিক চেয়ারম্যানের স্ত্রী। ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিক রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
জানা যায়, শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে এ্যাম্বুলেন্সে মৃতদেহ পাংশার কশবামাজাইলের বিশ্বাস বাড়িতে নেওয়া হলে শোকাহত আত্মীয়-স্বজন শেষবারের মত তার মুখখানা দেখতে ভিড় জমায়। শনিবার আসর নামাজের পর জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমার দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ৩ পুত্র, ৫ কন্যা সন্তান, নাতি-নাতনিসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
কশবামাজাইল বিশ্বাস বাড়ির কৃতিসন্তান, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের সদস্য ও কশবামাজাইল ইউপি আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বিশ্বাস বলেন, এলাকায় নারী শিক্ষার প্রসারে রাশিদা বানু রানু’র অবদান রয়েছে। তার আদর্শ ও অনুপ্রেরণার ফলেই তার ছেলেমেয়েরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষকতা পেশায় স্কুলে সকল ছাত্র-ছাত্রীকে সন্তান সম ভেবে পাঠদান করতেন। বাড়ির ছোট বড় সবাইকে তিনি আদর্শ মানুষ হওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগাতেন। তার নীতি, নৈতিকতা ও আদর্শ অনুসরণীয়।