আপডেট টাইম :
০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
৯২
বার পঠিত
পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল থাকা সত্বেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বিক্রি
আব্দুল হামিদ মিঞাঃ অবৈধ তেল মজুদ এবং পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্বেও ভোক্তাকে যথাযথভাবে তার চাহিত জ্বালানি তেল সরবরাহ না করায় চন্ডীপুর বাজারে অবস্থিত জমিরুল ওয়েল সেন্টারের স্বত্বাধিকারীকে ২০০০০/- অর্থদন্ড প্রদান করা হযেছে। বৃহসপতিবার (১২-০৩-২৬) বিকালে উপজেলা নির্বহি অফিসার শাম্মা আক্তার অভিযান পরিচালনা করেন। জানা যায়,ডিলার জমিরুল ইসলাম তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত থাকা সত্বেও দোকান বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন। ভোক্তাকে তার চাহিত জ্বালানি তেল সরবরাহ না করে সুযোগ বুঝে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে প্রশাসনকে অবগত করেন। পরে অভিযান পরিচালনা করে দেখা যায় ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাান আদালতে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। দোকান খোলা পেয়ে ক্ষনিকেই ভোক্তাদের ভিড় জমে যায়। তারা সুলভ মূল্যে তেল সংগ্রহ করেন। স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি জানান,তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পেছনেই আরেকটি গোডাউন রয়েছে। সেখানেও জ্বালানি তের মজুত রয়েছে। অনেকেই জানিয়েছে শুধু তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই নয় উপজেলার সব ডিলারের কাছে জ্বালানি তের মজুত রয়েছে। উপজেলা নির্বাহি অফিসার জানান, মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।
আব্দুল হামিদ মিঞাঃ
অবৈধ তেল মজুদ এবং পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্বেও ভোক্তাকে যথাযথভাবে তার চাহিত জ্বালানি তেল সরবরাহ না করায় চন্ডীপুর বাজারে অবস্থিত জমিরুল ওয়েল সেন্টারের স্বত্বাধিকারীকে ২০০০০/- অর্থদন্ড প্রদান করা হযেছে। বৃহসপতিবার (১২-০৩-২৬) বিকালে উপজেলা নির্বহি অফিসার শাম্মা আক্তার অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা যায়,ডিলার জমিরুল ইসলাম তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত থাকা সত্বেও দোকান বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন। ভোক্তাকে তার চাহিত জ্বালানি তেল সরবরাহ না করে সুযোগ বুঝে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে প্রশাসনকে অবগত করেন। পরে অভিযান পরিচালনা করে দেখা যায় ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাান আদালতে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
দোকান খোলা পেয়ে ক্ষনিকেই ভোক্তাদের ভিড় জমে যায়। তারা সুলভ মূল্যে তেল সংগ্রহ করেন। স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি জানান,তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পেছনেই আরেকটি গোডাউন রয়েছে। সেখানেও জ্বালানি তের মজুত রয়েছে। অনেকেই জানিয়েছে শুধু তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই নয় উপজেলার সব ডিলারের কাছে জ্বালানি তের মজুত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহি অফিসার জানান, মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।