আপডেট টাইম :
০২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
৯২
বার পঠিত
পদ্মার ভাঙনে ৩০ মিটার বাঁধ বিলীন, হুমকির মুখে সড়ক-বাড়ি-স্কুল
আসলাম বেপারীঃ ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নের টিলারচর গ্রামে হঠাৎ পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে ৩০ মিটার বাঁধসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে মাত্র ৯০ মিটার দূরে রয়েছে এমপিডাঙ্গী ও জাকেরেরশুরা থেকে ফরিদপুর যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক, শত শত বসতবাড়ি এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যেকোনো মুহূর্তে এসব স্থাপনা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় নদীপাড়ের বাসিন্দা শেখ আবজাল বলেন,“বুধবার সকাল থেকেই পদ্মা যেন পাগল হয়া উঠছে। হঠাৎ হঠাৎ গড়গড় শব্দ, মাটি ধইসা পইড়া যাচ্ছে। এক রাতের মধ্যে তিরিশ মিটার বাঁধটা গেল গিলা। আমাগো জমি, বাড়ি, স্কুল সব যেন নদীর মুখে ঝুলতাছে। কোনদিকে যাই, কী করি, বুঝতাছি না।” ভাঙনের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন। তিনি বলেন, “টিলারচর গ্রামের কয়েকটি পয়েন্টে আপদকালীন ভাঙন রোধে বর্ষা মৌসুমে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছিল। আমরা দ্রুত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এছাড়া, চরভদ্রাসন উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ৩.১৫ কিলোমিটার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।” উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন জানান, দ্রুত সময়ে ভাঙ্গন কবলিত স্থানের জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হবে।
আসলাম বেপারীঃ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নের টিলারচর গ্রামে হঠাৎ পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে ৩০ মিটার বাঁধসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে মাত্র ৯০ মিটার দূরে রয়েছে এমপিডাঙ্গী ও জাকেরেরশুরা থেকে ফরিদপুর যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক, শত শত বসতবাড়ি এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যেকোনো মুহূর্তে এসব স্থাপনা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় নদীপাড়ের বাসিন্দা শেখ আবজাল বলেন,“বুধবার সকাল থেকেই পদ্মা যেন পাগল হয়া উঠছে। হঠাৎ হঠাৎ গড়গড় শব্দ, মাটি ধইসা পইড়া যাচ্ছে। এক রাতের মধ্যে তিরিশ মিটার বাঁধটা গেল গিলা। আমাগো জমি, বাড়ি, স্কুল সব যেন নদীর মুখে ঝুলতাছে। কোনদিকে যাই, কী করি, বুঝতাছি না।”
ভাঙনের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন। তিনি বলেন, “টিলারচর গ্রামের কয়েকটি পয়েন্টে আপদকালীন ভাঙন রোধে বর্ষা মৌসুমে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছিল। আমরা দ্রুত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এছাড়া, চরভদ্রাসন উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ৩.১৫ কিলোমিটার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন জানান, দ্রুত সময়ে ভাঙ্গন কবলিত স্থানের জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হবে।