ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি Logo নগরকান্দায় ৯৫০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ১
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

নিঝুম দ্বীপে মিলল বিরল প্রজাতির মিল্ক ফিশ

হানিফ উদ্দিন সাকিবঃ

 

নোয়াখালীর জেলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ এলাকায় বিরল প্রজাতির প্রায় ২ কেজি ওজনের একটি মিল্ক ফিশ পাওয়া গেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ।

 

জানা গেছে, রোববার সকালে হাতিয়া উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আগমনী কিল্লা এলাকার একটি পুকুরে মাছটি পান স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. আব্দুল মান্নান।

 

মৎস্য ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নানের জামাই আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এমন মাছ আমরা আগে কখনও দেখিনি। মাছটি নিয়ে আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য কেফায়েত উদ্দিন বলেন, আমাদের এলাকায় এমন মাছ আগে কখনও দেখা যায়নি। বিষয়টি জানার পর এলাকাবাসীর মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে ওই পুকুরে প্রতি বছর ইলিশ মাছ পাওয়া যায়।

 

মো. আব্দুল মান্নান বলেন, সকালবেলা পুকুরে মাছটি দেখতে পাই। প্রথমে বুঝতে পারিনি এটি কী ধরনের মাছ। পরে সবাই বলছে, এটি মিল্ক ফিশ। আমার আত্মীয় স্বজন ছিল সবাইকে নিয়ে রান্না করে খেয়েছি। খুব সুস্বাদু এবং কিছুটা লবনাক্ত ভাব রয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, মিল্ক ফিশ (চ্যানোস চ্যানোস) রশ্মিযুক্ত মাছের একটি বিস্তৃত প্রজাতি, যা সাধারণত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি Chanidae পরিবারের একমাত্র জীবিত প্রজাতি এবং Chanos গণেরও একমাত্র সদস্য। সাধারণত চীন, কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে এ মাছের উপস্থিতি দেখা যায়।

 

নোয়াখালী জেলায় সম্ভবত এটিই প্রথমবারের মতো মিল্ক ফিশ শনাক্ত হলো, তাও আবার একটি পুকুরে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেড়ামারায় মাছ চাষের খাল থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

error: Content is protected !!

নিঝুম দ্বীপে মিলল বিরল প্রজাতির মিল্ক ফিশ

আপডেট টাইম : ০৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
হানিফ উদ্দিন সাকিব, হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :

হানিফ উদ্দিন সাকিবঃ

 

নোয়াখালীর জেলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ এলাকায় বিরল প্রজাতির প্রায় ২ কেজি ওজনের একটি মিল্ক ফিশ পাওয়া গেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ।

 

জানা গেছে, রোববার সকালে হাতিয়া উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আগমনী কিল্লা এলাকার একটি পুকুরে মাছটি পান স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. আব্দুল মান্নান।

 

মৎস্য ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নানের জামাই আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এমন মাছ আমরা আগে কখনও দেখিনি। মাছটি নিয়ে আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য কেফায়েত উদ্দিন বলেন, আমাদের এলাকায় এমন মাছ আগে কখনও দেখা যায়নি। বিষয়টি জানার পর এলাকাবাসীর মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে ওই পুকুরে প্রতি বছর ইলিশ মাছ পাওয়া যায়।

 

মো. আব্দুল মান্নান বলেন, সকালবেলা পুকুরে মাছটি দেখতে পাই। প্রথমে বুঝতে পারিনি এটি কী ধরনের মাছ। পরে সবাই বলছে, এটি মিল্ক ফিশ। আমার আত্মীয় স্বজন ছিল সবাইকে নিয়ে রান্না করে খেয়েছি। খুব সুস্বাদু এবং কিছুটা লবনাক্ত ভাব রয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, মিল্ক ফিশ (চ্যানোস চ্যানোস) রশ্মিযুক্ত মাছের একটি বিস্তৃত প্রজাতি, যা সাধারণত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি Chanidae পরিবারের একমাত্র জীবিত প্রজাতি এবং Chanos গণেরও একমাত্র সদস্য। সাধারণত চীন, কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে এ মাছের উপস্থিতি দেখা যায়।

 

নোয়াখালী জেলায় সম্ভবত এটিই প্রথমবারের মতো মিল্ক ফিশ শনাক্ত হলো, তাও আবার একটি পুকুরে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।