নাটোরের নলডাঙ্গা ও গুরুদাসপুরে পৃথক বজ্রপাতে এক গৃহবধূসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে নলডাঙ্গা উপজেলার বারনই নদীতে মাছ শিকারের সময় বজ্রপাতে কামরুল ইসলাম ও গুরুদাসপুরের আনন্দনগর গ্রামে আবেরা বেগমের মৃত্যু হয়। নিহত কামরুল ইসলাম পীরগাছা কোমড়পুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে ও আবেরা বেগম আনন্দনগর গ্রামের সাদ্দাক আলীর স্ত্রী। নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানায়, কামরুল ইসলাম ও তাঁর বন্ধুরা মিলে বারনই নদীতে মাছ শিকার করছিল। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই কামরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। অপরদিকে দুপুরে প্রচণ্ড মেঘে আকাশ অন্ধকার হয়ে গেলে গুরুদাসপুর উপজেলার আনন্দনগর গ্রামের বিল থেকে নিজের পালিত হাঁস আনতে যান গৃহবধূ আবেরা বেগম। এ সময় বজ্রপাত হলে আহত হন আবেরা বেগম। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আরও পড়ুনঃ শিবগঞ্জে ট্রাক্টর চাপায় শিশু নিহত, আহত মা নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ারুজ্জামান ও গুরুদাসপুর থানার ওসি উজ্জল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নাটোরের নলডাঙ্গা ও গুরুদাসপুরে পৃথক বজ্রপাতে এক গৃহবধূসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে নলডাঙ্গা উপজেলার বারনই নদীতে মাছ শিকারের সময় বজ্রপাতে কামরুল ইসলাম ও গুরুদাসপুরের আনন্দনগর গ্রামে আবেরা বেগমের মৃত্যু হয়।
নিহত কামরুল ইসলাম পীরগাছা কোমড়পুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে ও আবেরা বেগম আনন্দনগর গ্রামের সাদ্দাক আলীর স্ত্রী।
নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানায়, কামরুল ইসলাম ও তাঁর বন্ধুরা মিলে বারনই নদীতে মাছ শিকার করছিল। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই কামরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা।
অপরদিকে দুপুরে প্রচণ্ড মেঘে আকাশ অন্ধকার হয়ে গেলে গুরুদাসপুর উপজেলার আনন্দনগর গ্রামের বিল থেকে নিজের পালিত হাঁস আনতে যান গৃহবধূ আবেরা বেগম। এ সময় বজ্রপাত হলে আহত হন আবেরা বেগম। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।