নাটোরের লালপুরের সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক রাস্তার পাশে সরকারি খাস জমিতে রোপনকৃত গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিকেলে উপজেলার বিলমাড়ীয়া বাজারে অনুষ্ঠিত হয়, উক্ত মানববন্ধনে বিলমাড়ীয়া ইউপি সদস্য লিব্বাস আলীর সভাপতিত্বে স্থানীয় জনগণ গাছ কাটার প্রতিবাদে জড়ো হয়, এসময় তারা তীব্র নিন্দা সহ পরিবেশের জন্য পুনরায় গাছ লাগিয়ে গাছ কাটার বিচার দাবি করেন, এবং খাস জায়গাটি উদ্ধার করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান। জানা যায় প্রায় বছর খানেক আগে লালপুরের বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের নওপাড়া-বিলমাড়ীয়া সড়কের পাশে রবিউলের মোড়ে সরকারি জায়গায় একটি বট গাছের চারা রোপণ করেছিল স্থানীয় এক ভ্যানচাল, গাছটি বেশ বড় হয়ে উঠছিল, স্থানীয় লোকজন গাছটির পরিচর্যা করতো। গত মঙ্গলবার (২৫) রাত আনুমানিক ১১ দিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মরত ফাল্গুনী হক ইতি বটগাছের চারাটি কেটে নিয়ে যায়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা এর বিচার চেয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) লালপুর বরাবর আবেদন করেছে। আরও পড়ুনঃ ফরিদপুরের করিমপুর থানায় হাইওয়ে পুলিশের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত লালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিমুল আক্তার বলেন এবিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে, আমাদের সার্ভেয়ারকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নাটোরের লালপুরের সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক রাস্তার পাশে সরকারি খাস জমিতে রোপনকৃত গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিকেলে উপজেলার বিলমাড়ীয়া বাজারে অনুষ্ঠিত হয়, উক্ত মানববন্ধনে বিলমাড়ীয়া ইউপি সদস্য লিব্বাস আলীর সভাপতিত্বে স্থানীয় জনগণ গাছ কাটার প্রতিবাদে জড়ো হয়, এসময় তারা তীব্র নিন্দা সহ পরিবেশের জন্য পুনরায় গাছ লাগিয়ে গাছ কাটার বিচার দাবি করেন, এবং খাস জায়গাটি উদ্ধার করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
জানা যায় প্রায় বছর খানেক আগে লালপুরের বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের নওপাড়া-বিলমাড়ীয়া সড়কের পাশে রবিউলের মোড়ে সরকারি জায়গায় একটি বট গাছের চারা রোপণ করেছিল স্থানীয় এক ভ্যানচাল, গাছটি বেশ বড় হয়ে উঠছিল, স্থানীয় লোকজন গাছটির পরিচর্যা করতো। গত মঙ্গলবার (২৫) রাত আনুমানিক ১১ দিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মরত ফাল্গুনী হক ইতি বটগাছের চারাটি কেটে নিয়ে যায়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা এর বিচার চেয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) লালপুর বরাবর আবেদন করেছে।