বোরহানুজ্জামান আনিচঃ ফরিদপুরের নগরকান্দায় একটি ফসলি জমি থেকে কাফনের কাপড়ে মোড়ানো লাশ সদৃশ্য এক রহস্যময় বস্তুর সন্ধান মিলেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক, কৌতূহল ও নানা গুঞ্জন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বেলা৷ সাড়ে ১২টার দিকে নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের জুঙ্গুরদি গ্রামে এ অদ্ভুত বস্তুটি পাওয়া যায়। স্থানীয় সূত্র জানায়, জুঙ্গুরদি গ্রামের বাসিন্দা নিজাম উদ্দিনের জমিতে কাজ করছিলেন নাটোর জেলার মাহাবুর রহমান নামের এক কৃষক। জমিতে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়তে গিয়ে হঠাৎ তিনি কাফনের কাপড় সদৃশ্য একটি কাপড়ে মোড়ানো বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জমির মালিককে জানানো হলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। একপর্যায়ে কৌতূহলী জনতার অনুরোধে কাপড়টি খুলে দেখা যায়, ভেতরে রয়েছে হাড়, লোহার টুকরা, সিঁদুর, কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের অচেনা উপকরণ। পরে আতঙ্ক ও সংশয়ের কারণে বস্তুটি জমির পাশের একটি স্থানে পুনরায় পুঁতে রাখা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই দূরদূরান্ত থেকে মানুষ রহস্যময় এই বস্তুটি এক নজর দেখতে ভিড় জমাতে থাকেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ দাবি করছেন এটি কালো জাদু বা তান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের অংশ, আবার কেউ বলছেন এটি কোনো পুরনো কুসংস্কারমূলক আচরন। তবে বস্তুটি আসলে কী, কে বা কারা এটি মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিল, এ নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। রহস্যের ঘনঘটায় এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে নানা...
বোরহানুজ্জামান আনিচঃ
ফরিদপুরের নগরকান্দায় একটি ফসলি জমি থেকে কাফনের কাপড়ে মোড়ানো লাশ সদৃশ্য এক রহস্যময় বস্তুর সন্ধান মিলেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক, কৌতূহল ও নানা গুঞ্জন।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বেলা৷ সাড়ে ১২টার দিকে নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের জুঙ্গুরদি গ্রামে এ অদ্ভুত বস্তুটি পাওয়া যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুঙ্গুরদি গ্রামের বাসিন্দা নিজাম উদ্দিনের জমিতে কাজ করছিলেন নাটোর জেলার মাহাবুর রহমান নামের এক কৃষক। জমিতে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়তে গিয়ে হঠাৎ তিনি কাফনের কাপড় সদৃশ্য একটি কাপড়ে মোড়ানো বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জমির মালিককে জানানো হলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
একপর্যায়ে কৌতূহলী জনতার অনুরোধে কাপড়টি খুলে দেখা যায়, ভেতরে রয়েছে হাড়, লোহার টুকরা, সিঁদুর, কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের অচেনা উপকরণ। পরে আতঙ্ক ও সংশয়ের কারণে বস্তুটি জমির পাশের একটি স্থানে পুনরায় পুঁতে রাখা হয়।
খবর ছড়িয়ে পড়তেই দূরদূরান্ত থেকে মানুষ রহস্যময় এই বস্তুটি এক নজর দেখতে ভিড় জমাতে থাকেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ দাবি করছেন এটি কালো জাদু বা তান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের অংশ, আবার কেউ বলছেন এটি কোনো পুরনো কুসংস্কারমূলক আচরন।
তবে বস্তুটি আসলে কী, কে বা কারা এটি মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিল, এ নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। রহস্যের ঘনঘটায় এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।