ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত Logo সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি Logo নগরকান্দায় ৯৫০ পিচ ইয়াবাসহ আটক ১
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়, নেই ভোগান্তি

আবুল হোসেনঃ

 

ঈদুল ফিতর শেষ। কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মমুখী মানুষ। দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১টি জেলায় প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরী ঘাট প্রান্তে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

 

শনিবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটের বিআইডব্লিউটিএর টিকিট কাউন্টারের প্রবেশ পথে উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

এদিকে সকাল থেকেই ফেরিঘাটে থেমে থেমে যাত্রীরা এসে নদী পাড়ি দিচ্ছে। সেইসাথে যাত্রীবাহী যানবাহনের সংখ্যা ছিলো চোখে পড়ার মতো।

 

কুষ্টিয়া থেকে ঢাকামুখী যাত্রী বেলায়েত হোসেন বলেন, ঈদে ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসেছিলাম। অফিসের ছুটি শেষ হলে সকালে বাড়ি থেকে রওনা হয়ে লঞ্চঘাটে এসেছি; পথে ও ঘাটে কোনোরকম ভোগান্তি নেই। আশা করি ভালোভাবেই ঢাকায় যেতে পারব।

 

যশোর থেকে আসা গাজীপুর গামী যাত্রী তাহমিনা আক্তার বলেন, গার্মেন্টসে চাকরি করি। রবিবার সকালে অফিস করব বলে তাড়াতাড়ি বাড়ি হতে রওনা হয়েছি। লঞ্চঘাটে ভোগান্তি নেই বলে জানান এ নারী।

 

অপরদিকে ঈদে শেষে কর্মমুখী মানুষ ও যানবাহনের জন্য এ নৌ রুটে ১৭ টি ফেরি চলাচল করছে। স্বল্প সময়ের মধ্যেই ঘাটে আসা যানবাহন গুলো ফেরীতে ওঠে যাচ্ছে। যাত্রীরাও নিরাপদে ফেরিতে পারাপার করছে।

 

এ বিষয়ে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট মালিক সমিতির দায়িত্বরত ম্যানেজার আওয়াল হোসেন বলেন, প্রতিটি লঞ্চে আমাদের যাত্রীসংখ্যা নির্ধারণ করেই ঘাট থেকে ছাড়ছে। লঞ্চে বাড়তি কোনো রকম ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে ২০টি লঞ্চ চলাচল করছে। আমরা যাত্রীদের যাত্রা নির্বিগ্নে সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ট্রাফিক বিভাগের ঘাট তত্বাবধায়ক মো. শিমুল ইসলাম বলেন, এ নৌরুটে ২০টি লঞ্চ চলছে। শনিবার সকাল থেকে কর্মমুখী মানুষ ছুটতে শুরু করেছে। পর্যাপ্ত লঞ্চ থাকায় সবাই স্বস্তিতেই কর্মস্থলে যেতে পারছেন।

 

বিআইডব্লিউটিএ’র দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় ১৭টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চলাচল করছে। বর্তমানে ঘাটে কোন যানবাহনের সিরিয়াল নেই। ঘাটে আসা মাত্রই যে কোন যানবাহন সরাসরি ফেরিতে উঠতে পারছে।

 

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাহিদুর রহমান জানান, আজ শনিবার সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়লেও ঘাটে কোন প্রকার ভোগান্তি নেই। মানুষ সরাসরি ঘাটে এসে ফেরি ও লঞ্চে নদী পার হতে পারছে।

 

এছাড়াও ঘাটের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঈদের আগে সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি। ঘাটে চুরি, ছিনতাই, দালাল ও যানজট কমাতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি মানুষ ঈদ আনন্দ শেষে নির্বিগ্নে কর্মস্থলে যেতে পারবে। তিনি আরও বলেন, ঘাটে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ যৌথভাবে সমন্বয় করে কাজ করেছেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পানি কমলেও বাড়ছে পদ্মার ভাঙন, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বিদ্যুতের পোল

error: Content is protected !!

ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ

দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়, নেই ভোগান্তি

আপডেট টাইম : ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
আবুল হোসেন, রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি :

আবুল হোসেনঃ

 

ঈদুল ফিতর শেষ। কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মমুখী মানুষ। দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১টি জেলায় প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরী ঘাট প্রান্তে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।

 

শনিবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটের বিআইডব্লিউটিএর টিকিট কাউন্টারের প্রবেশ পথে উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

এদিকে সকাল থেকেই ফেরিঘাটে থেমে থেমে যাত্রীরা এসে নদী পাড়ি দিচ্ছে। সেইসাথে যাত্রীবাহী যানবাহনের সংখ্যা ছিলো চোখে পড়ার মতো।

 

কুষ্টিয়া থেকে ঢাকামুখী যাত্রী বেলায়েত হোসেন বলেন, ঈদে ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসেছিলাম। অফিসের ছুটি শেষ হলে সকালে বাড়ি থেকে রওনা হয়ে লঞ্চঘাটে এসেছি; পথে ও ঘাটে কোনোরকম ভোগান্তি নেই। আশা করি ভালোভাবেই ঢাকায় যেতে পারব।

 

যশোর থেকে আসা গাজীপুর গামী যাত্রী তাহমিনা আক্তার বলেন, গার্মেন্টসে চাকরি করি। রবিবার সকালে অফিস করব বলে তাড়াতাড়ি বাড়ি হতে রওনা হয়েছি। লঞ্চঘাটে ভোগান্তি নেই বলে জানান এ নারী।

 

অপরদিকে ঈদে শেষে কর্মমুখী মানুষ ও যানবাহনের জন্য এ নৌ রুটে ১৭ টি ফেরি চলাচল করছে। স্বল্প সময়ের মধ্যেই ঘাটে আসা যানবাহন গুলো ফেরীতে ওঠে যাচ্ছে। যাত্রীরাও নিরাপদে ফেরিতে পারাপার করছে।

 

এ বিষয়ে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট মালিক সমিতির দায়িত্বরত ম্যানেজার আওয়াল হোসেন বলেন, প্রতিটি লঞ্চে আমাদের যাত্রীসংখ্যা নির্ধারণ করেই ঘাট থেকে ছাড়ছে। লঞ্চে বাড়তি কোনো রকম ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে ২০টি লঞ্চ চলাচল করছে। আমরা যাত্রীদের যাত্রা নির্বিগ্নে সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ট্রাফিক বিভাগের ঘাট তত্বাবধায়ক মো. শিমুল ইসলাম বলেন, এ নৌরুটে ২০টি লঞ্চ চলছে। শনিবার সকাল থেকে কর্মমুখী মানুষ ছুটতে শুরু করেছে। পর্যাপ্ত লঞ্চ থাকায় সবাই স্বস্তিতেই কর্মস্থলে যেতে পারছেন।

 

বিআইডব্লিউটিএ’র দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় ১৭টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চলাচল করছে। বর্তমানে ঘাটে কোন যানবাহনের সিরিয়াল নেই। ঘাটে আসা মাত্রই যে কোন যানবাহন সরাসরি ফেরিতে উঠতে পারছে।

 

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাহিদুর রহমান জানান, আজ শনিবার সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়লেও ঘাটে কোন প্রকার ভোগান্তি নেই। মানুষ সরাসরি ঘাটে এসে ফেরি ও লঞ্চে নদী পার হতে পারছে।

 

এছাড়াও ঘাটের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঈদের আগে সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি। ঘাটে চুরি, ছিনতাই, দালাল ও যানজট কমাতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি মানুষ ঈদ আনন্দ শেষে নির্বিগ্নে কর্মস্থলে যেতে পারবে। তিনি আরও বলেন, ঘাটে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ যৌথভাবে সমন্বয় করে কাজ করেছেন।