দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১
৩১৮
বার পঠিত
ঝিনাইদহে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করছেন ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই!
আব্দুল্লাহ আল মাসুম ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদের ১০ নং হরিশংকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি পরানপুর গ্রামের মৃত আবু ইস্কান্দার বাবু ডাক্তারের ছেলে। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি ছিলেন সিএইচসিপি। ট্রেনিং নিয়ে নিজ ইউনিয়নে করোনার লক্ষণ থাকা ব্যক্তিদের নমুনা নিজেই সংগ্রহে নেমেছেন। চেয়ারম্যান মাসুম নিজ ইউনিয়নের সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা বা লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। টিম গঠন করে নিজেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। নিজে একজন স্বাস্থ্য কর্মী হওয়ার সুবাদে সাহসিকতার সাথেই নিজেই নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছেন। চেয়ারম্যান মাসুম জানান, ঝিনাইদহ জেলাতে করোনার সংক্রমণ অতি আকার ধারণ করেছে। নিজেরা সচেতন না হলে প্রান্তিক পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হন। মাসুম জানান, আমি সিভিল সার্জনের কাছে এই প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য আবেদন করি। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের কাছে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে গত মঙ্গলবার থেকে আমার ইউনিয়নের সন্দেহাভাজন ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে ঝিনাইদহ করোনা ইউনিটে জমা দিচ্ছি। করোনা এখন গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে। পরীক্ষার ফলাফল আসার পর আক্রান্ত ব্যক্তিদের আলাদা রাখা ও প্রাথমিক অবস্থায় চিহ্নিত করে চিকিৎসা করা হচ্ছে। হরিশংকরপুরের আরিফুর রহমান শিকদার ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা শাহীন সিরাজ ও সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের কর্মীদের মাধ্যমে এই টিম পরিচালিত করছেন তিনি।
আব্দুল্লাহ আল মাসুম ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদের ১০ নং হরিশংকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি পরানপুর গ্রামের মৃত আবু ইস্কান্দার বাবু ডাক্তারের ছেলে। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তিনি ছিলেন সিএইচসিপি। ট্রেনিং নিয়ে নিজ ইউনিয়নে করোনার লক্ষণ থাকা ব্যক্তিদের নমুনা নিজেই সংগ্রহে নেমেছেন।
চেয়ারম্যান মাসুম নিজ ইউনিয়নের সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা বা লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। টিম গঠন করে নিজেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। নিজে একজন স্বাস্থ্য কর্মী হওয়ার সুবাদে সাহসিকতার সাথেই নিজেই নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছেন।
চেয়ারম্যান মাসুম জানান, ঝিনাইদহ জেলাতে করোনার সংক্রমণ অতি আকার ধারণ করেছে। নিজেরা সচেতন না হলে প্রান্তিক পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হন। মাসুম জানান, আমি সিভিল সার্জনের কাছে এই প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য আবেদন করি। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের কাছে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে গত মঙ্গলবার থেকে আমার ইউনিয়নের সন্দেহাভাজন ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে ঝিনাইদহ করোনা ইউনিটে জমা দিচ্ছি।
করোনা এখন গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে। পরীক্ষার ফলাফল আসার পর আক্রান্ত ব্যক্তিদের আলাদা রাখা ও প্রাথমিক অবস্থায় চিহ্নিত করে চিকিৎসা করা হচ্ছে। হরিশংকরপুরের আরিফুর রহমান শিকদার ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা শাহীন সিরাজ ও সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের কর্মীদের মাধ্যমে এই টিম পরিচালিত করছেন তিনি।