আপডেট টাইম :
০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩
২১৩
বার পঠিত
জনবল সংকটে পাংশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে জনবল সংকটের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অত্র অফিসের সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, হিসাব রক্ষণ ও নৈশ প্রহরীর পদ দীর্ঘ দিন ধরে শূন্য রয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানোর পরও শূন্য পদ পূরণ হয়নি। বর্তমানে জনবল সংকটের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটারে অভিজ্ঞ শিক্ষক ডেকে এনে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জানা যায়, পাংশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি দীর্ঘ ৮/১০ বছর শূন্য রয়েছে। হিসাব রক্ষণ পদটি ২/৩ বছর ধরে শূন্য। কম্পিউটার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তারেক আলী মেডিকেল ছুটিতে আছেন। তিনি কিডনির জটিলতায় ভুগছেন। তার পক্ষে অফিশিয়াল কাজ করা দুরুহ। অত্র অফিসের নৈশ প্রহরীর পদটিও শূন্য রয়েছে। একাডেমিক সুপারভাইজার মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগ করে ২রা মে কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। আরও পড়ুনঃ ১১৭৯ কোটি টাকায় ২ লাখ ২০ হাজার টন সার আমদানি করবে সরকার এ ব্যাপারে মঙ্গলবার (১৬ মে) দুপুরে পাংশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, তার দপ্তরে জনবল সংকটের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনিও চলতি মাসের শেষভাগ থেকে হজ্বব্রত পালনের কারণে প্রায় ৪০দিন ছুটিতে থাকবেন। সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কম্পিউটার ডাটা এন্ট্রি অপারেটরসহ শূন্য পদসমূহ পূরণে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে জনবল সংকটের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অত্র অফিসের সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, হিসাব রক্ষণ ও নৈশ প্রহরীর পদ দীর্ঘ দিন ধরে শূন্য রয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানোর পরও শূন্য পদ পূরণ হয়নি। বর্তমানে জনবল সংকটের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটারে অভিজ্ঞ শিক্ষক ডেকে এনে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
জানা যায়, পাংশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি দীর্ঘ ৮/১০ বছর শূন্য রয়েছে। হিসাব রক্ষণ পদটি ২/৩ বছর ধরে শূন্য। কম্পিউটার ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তারেক আলী মেডিকেল ছুটিতে আছেন। তিনি কিডনির জটিলতায় ভুগছেন। তার পক্ষে অফিশিয়াল কাজ করা দুরুহ। অত্র অফিসের নৈশ প্রহরীর পদটিও শূন্য রয়েছে। একাডেমিক সুপারভাইজার মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগ করে ২রা মে কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।
এ ব্যাপারে মঙ্গলবার (১৬ মে) দুপুরে পাংশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, তার দপ্তরে জনবল সংকটের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনিও চলতি মাসের শেষভাগ থেকে হজ্বব্রত পালনের কারণে প্রায় ৪০দিন ছুটিতে থাকবেন। সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কম্পিউটার ডাটা এন্ট্রি অপারেটরসহ শূন্য পদসমূহ পূরণে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।