দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
হুমায়ন আহমেদঃ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চয়েন উদ্দিন (৫০) নামে এক পেঁয়াজু, বড়া ও চপ বিক্রেতাকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ওসমানপুর গ্রামের বিশ্বাসপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত চয়েন উদ্দিন হারদী ইউনিয়নের গাংপাড়া এলাকার মৃত গোলাম কিবরিয়ার ছেলে। তিনি এলাকায় পেঁয়াজু, বড়া ও চপ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, পাওনা টাকা নিয়ে হেলাল (৪৫) নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে চয়েন উদ্দিনের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে হেলাল চয়েনের ছেলের মোবাইল ফোনে কল করে পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে তাকে ওসমানপুর বিশ্বাসপাড়ায় যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর চয়েনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় একপর্যায়ে চয়েন উদ্দিনের মৃত্যু হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একটি ভ্যানে করে তার মরদেহ আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, চয়েনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর চয়েন উদ্দিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হুমায়ন আহমেদঃ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চয়েন উদ্দিন (৫০) নামে এক পেঁয়াজু, বড়া ও চপ বিক্রেতাকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ওসমানপুর গ্রামের বিশ্বাসপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত চয়েন উদ্দিন হারদী ইউনিয়নের গাংপাড়া এলাকার মৃত গোলাম কিবরিয়ার ছেলে। তিনি এলাকায় পেঁয়াজু, বড়া ও চপ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, পাওনা টাকা নিয়ে হেলাল (৪৫) নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে চয়েন উদ্দিনের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে হেলাল চয়েনের ছেলের মোবাইল ফোনে কল করে পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে তাকে ওসমানপুর বিশ্বাসপাড়ায় যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর চয়েনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ।
গুরুতর আহত অবস্থায় একপর্যায়ে চয়েন উদ্দিনের মৃত্যু হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একটি ভ্যানে করে তার মরদেহ আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, চয়েনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর চয়েন উদ্দিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।