দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২০৫
বার পঠিত
চুয়াডাঙ্গায় আবাসিক হোটেল থেকে প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার
ইসমাইল হােসেন বাবুঃ চুয়াডাঙ্গায় একটি আবাসিক হোটেল থেকে মামুনুর রহমান মাসুম নামে এক টেক্সটাইল প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা আবাসিক হোটেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাসুম চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কেদারগঞ্জ সবুজপাড়ার মুজিবর রহমানের ছেলে। তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গায় হলেও তিনি পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় থাকতেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মামুনুর রহমান তিন বন্ধুর সঙ্গে চুয়াডাঙ্গায় ঘুরতে আসেন। তারা চুয়াডাঙ্গা আবাসিক হোটেলে ওঠেন। হোটেলের ম্যানেজার সাগর বলেন, তারা তিনজনই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। পরবর্তীতে মামুনুরের দুই বন্ধু চলে গেলেও তিনি হোটেলেই থেকে যান। মামুনুর বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তার বন্ধুরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। শনিবার সকালে হোটেলের চতুর্থ তলা থেকে কান্নার শব্দ শুনে তিনি উপরে গিয়ে দেখতে পান মামুনুরের স্বজনরা সেখানে কান্নাকাটি করছেন। স্বজনদের পরামর্শ দেওয়া হয় মামুনুরকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য। পরবর্তীতে তারা দেখতে পান মামুনুরের মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে এবং তিনি মারা গেছেন। তখন স্বজনরা জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, মামুনুর রহমান মাসুম নামের এক ব্যক্তির মরদেহ হোটেলের রুমে রয়েছে। সিআইডির টিম এসে আলামত সংগ্রহ করবে৷ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে...
ইসমাইল হােসেন বাবুঃ
চুয়াডাঙ্গায় একটি আবাসিক হোটেল থেকে মামুনুর রহমান মাসুম নামে এক টেক্সটাইল প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা আবাসিক হোটেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মাসুম চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কেদারগঞ্জ সবুজপাড়ার মুজিবর রহমানের ছেলে। তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গায় হলেও তিনি পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় থাকতেন।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মামুনুর রহমান তিন বন্ধুর সঙ্গে চুয়াডাঙ্গায় ঘুরতে আসেন। তারা চুয়াডাঙ্গা আবাসিক হোটেলে ওঠেন।
হোটেলের ম্যানেজার সাগর বলেন, তারা তিনজনই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। পরবর্তীতে মামুনুরের দুই বন্ধু চলে গেলেও তিনি হোটেলেই থেকে যান। মামুনুর বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তার বন্ধুরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলেও তিনি রাজি হননি।
শনিবার সকালে হোটেলের চতুর্থ তলা থেকে কান্নার শব্দ শুনে তিনি উপরে গিয়ে দেখতে পান মামুনুরের স্বজনরা সেখানে কান্নাকাটি করছেন। স্বজনদের পরামর্শ দেওয়া হয় মামুনুরকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
পরবর্তীতে তারা দেখতে পান মামুনুরের মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে এবং তিনি মারা গেছেন। তখন স্বজনরা জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, মামুনুর রহমান মাসুম নামের এক ব্যক্তির মরদেহ হোটেলের রুমে রয়েছে। সিআইডির টিম এসে আলামত সংগ্রহ করবে৷ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।