আসলাম বেপারীঃ ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেজিস্ট্রি কার্য সম্পাদিত মোট ২৫৬টি বিনষ্টযোগ্য দলিল ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চরভদ্রাসন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে উন্মুক্ত স্থানে আনুষ্ঠানিকভাবে আগুনে পুড়িয়ে এ দলিলগুলো ধ্বংস করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে দলিল গ্রাহকগণ তাদের দলিল বুঝে না নেওয়ায় অফিসে সংরক্ষণে পর্যাপ্ত জায়গা ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি দেখা দেয়। এ কারণে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার দীপা রানী নন্দী একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে জনসাধারণকে দলিল বুঝে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। এমনকি মাইকিং করে প্রচার করা হলেও নির্ধারিত সময়ে দলিল গ্রহণ না করায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসব দলিল ধ্বংস করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী সাব-রেজিস্টার গৌতম চন্দ্র সাহা, মহরার অনিতা রানী বিশ্বাস ও আব্দুল মান্নান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অন্যান্য কর্মচারী, চরভদ্রাসন দলিল লেখক ভেন্ডার ও তাদের সহকারীরা।
আসলাম বেপারীঃ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেজিস্ট্রি কার্য সম্পাদিত মোট ২৫৬টি বিনষ্টযোগ্য দলিল ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চরভদ্রাসন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে উন্মুক্ত স্থানে আনুষ্ঠানিকভাবে আগুনে পুড়িয়ে এ দলিলগুলো ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে দলিল গ্রাহকগণ তাদের দলিল বুঝে না নেওয়ায় অফিসে সংরক্ষণে পর্যাপ্ত জায়গা ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি দেখা দেয়।
এ কারণে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার দীপা রানী নন্দী একাধিকবার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে জনসাধারণকে দলিল বুঝে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
এমনকি মাইকিং করে প্রচার করা হলেও নির্ধারিত সময়ে দলিল গ্রহণ না করায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসব দলিল ধ্বংস করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী সাব-রেজিস্টার গৌতম চন্দ্র সাহা, মহরার অনিতা রানী বিশ্বাস ও আব্দুল মান্নান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অন্যান্য কর্মচারী, চরভদ্রাসন দলিল লেখক ভেন্ডার ও তাদের সহকারীরা।