বাদশাহ মিয়া:
গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুলের নির্বাচনী ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) গভীর রাতে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ননীক্ষীর ও কাশালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুলের পক্ষে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আশরাফুল আলম শিমুলের ছেলে খায়রুল আলম সায়াদ বলেন, “আমার বাবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। আমি তার একমাত্র ছেলে এবং এ বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী। বাবার অনুপস্থিতিতে আমি তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছি। আমাদের গণসংযোগে জনসমর্থন দেখে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা কাশালিয়া ইউনিয়নের কাশালিয়া সড়ক ও ননীক্ষীর ইউনিয়নের মহেশতলী এলাকায় টাঙানো ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে। এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছু নয়।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী। আমি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, ঘটনার আগের দিন ওইসব এলাকায় ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো ছিল। পরদিন সকালে তারা দেখতে পান সেগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “যেই করুক না কেন, এটি ঠিক হয়নি। নির্বাচনী প্রচারণা সব প্রার্থীর মৌলিক অধিকার। এভাবে ব্যানার ছিঁড়ে জনগণের মন থেকে কাউকে সরানো যায় না।”
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুলের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগ তদন্তের জন্য জেলা ও দায়রা জজ একটি ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করেছেন। আমরা অভিযোগটি ওই কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেব। পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন সমন্বয়কারীকে সরাসরি ইনকোয়ারি কমিটির কাছে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা কেউ প্রত্যক্ষ করেনি। তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
বাদশাহ মিয়া, মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 



















