দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
২৪১
বার পঠিত
গোপালগঞ্জে নদী রক্ষায় সরেজমিনে পরিদর্শন
মোঃ বাদশাহ মিয়া, মুক্সুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জে নদী রক্ষার লক্ষ্যে সরেজমিন পরিদর্শন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা নদী রক্ষা কমিটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) সকালে ট্রলারযোগে মধুমতী বিলরুট চ্যানেল গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদাহ থেকে মুকসুদপুরের টেকেরহাট পর্যন্ত পরিদর্শন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান। এসময় পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম কবির, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক বিশ্বজিৎ পাল, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনিম আক্তারসহ নদী রক্ষা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার অন্ততঃ একটি নদী বা খালকে দুষনমুক্ত ও দখলমুক্ত রাখতে হবে। সে অনুযায়ী আমরা আজকে এ চ্যানেলটি পরিদর্শনে এসেছি। যেসব এলাকায় নদীর জায়গা দখল করা হয়েছে আমরা তা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারী থেকে দখলমুক্ত করার কাজ শুরু করবো। উল্লেখ্য যে, সদর উপজেলার মানিকদাহ থেকে মুকসুদপুরের টেকেরহাট পর্যন্ত ৩৬১ টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জে নদী রক্ষার লক্ষ্যে সরেজমিন পরিদর্শন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা নদী রক্ষা কমিটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) সকালে ট্রলারযোগে মধুমতী বিলরুট চ্যানেল গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদাহ থেকে মুকসুদপুরের টেকেরহাট পর্যন্ত পরিদর্শন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান। এসময় পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম কবির, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক বিশ্বজিৎ পাল, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনিম আক্তারসহ নদী রক্ষা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার অন্ততঃ একটি নদী বা খালকে দুষনমুক্ত ও দখলমুক্ত রাখতে হবে। সে অনুযায়ী আমরা আজকে এ চ্যানেলটি পরিদর্শনে এসেছি। যেসব এলাকায় নদীর জায়গা দখল করা হয়েছে আমরা তা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারী থেকে দখলমুক্ত করার কাজ শুরু করবো।
উল্লেখ্য যে, সদর উপজেলার মানিকদাহ থেকে মুকসুদপুরের টেকেরহাট পর্যন্ত ৩৬১ টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে।