ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

গাড়ি থেকে লাঠি বের করার কারণ জানালেন আমির হামজা

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। একইসঙ্গে হামলার সময় তার গাড়ির ভেতর থেকে লাঠি বের করার ঘটনার ব্যাখ্যাও দেন তিনি।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মোল্লাতেঘরিয়া এলাকায় জেলা জামায়াত ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আমির হামজা তার গাড়িতে লাঠি রাখার কারণ জানান।

 

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার গাড়িতে সব সময় দুটি লাঠি রাখা থাকে। কারণ, এখনো সরকারি অস্ত্রের লাইসেন্স হয়নি এবং সরকারিভাবে কোনো বডিগার্ডও দেওয়া হয়নি। আর আমিও নেইনি। আমার নিরাপত্তার জন্যই লাঠি দুটি গাড়িতে রাখা হয়।

 

লাঠি বের করার বিষয়ে আমির হামজা বলেন, হামলার সময় আমার চালক লাঠি হাতে গাড়ি থেকে নেমে যান। পরে আমি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যাই।

 

এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এই জেলার প্রশাসন নিষ্ক্রিয় এবং ব্যর্থ। এই জেলার যারা দায়িত্বে আছে, প্রশাসনে যে যেখানে দায়িত্বে আছে, সব ব্যর্থ। এদের দ্বারা নিরাপত্তা পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমাদের নেই।’

 

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি জানান এ সংসদ সদস্য । দাবিগুলো হলো— হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত গণ অধিকার পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালতের নির্দেশের পরও বিরোধপূর্ণ বাড়িতে বসবাস

error: Content is protected !!

গাড়ি থেকে লাঠি বের করার কারণ জানালেন আমির হামজা

আপডেট টাইম : ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
ইসমাইল হােসেন বাবু, সিনিয়র ষ্টাফ রিপাের্টার :

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। একইসঙ্গে হামলার সময় তার গাড়ির ভেতর থেকে লাঠি বের করার ঘটনার ব্যাখ্যাও দেন তিনি।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মোল্লাতেঘরিয়া এলাকায় জেলা জামায়াত ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আমির হামজা তার গাড়িতে লাঠি রাখার কারণ জানান।

 

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার গাড়িতে সব সময় দুটি লাঠি রাখা থাকে। কারণ, এখনো সরকারি অস্ত্রের লাইসেন্স হয়নি এবং সরকারিভাবে কোনো বডিগার্ডও দেওয়া হয়নি। আর আমিও নেইনি। আমার নিরাপত্তার জন্যই লাঠি দুটি গাড়িতে রাখা হয়।

 

লাঠি বের করার বিষয়ে আমির হামজা বলেন, হামলার সময় আমার চালক লাঠি হাতে গাড়ি থেকে নেমে যান। পরে আমি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যাই।

 

এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এই জেলার প্রশাসন নিষ্ক্রিয় এবং ব্যর্থ। এই জেলার যারা দায়িত্বে আছে, প্রশাসনে যে যেখানে দায়িত্বে আছে, সব ব্যর্থ। এদের দ্বারা নিরাপত্তা পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আমাদের নেই।’

 

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি জানান এ সংসদ সদস্য । দাবিগুলো হলো— হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত গণ অধিকার পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে।