দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
গাজীপুর জয়দেবপুর ৩ মে সকাল ১১ টার দিকে রেলওয়ে স্টেশনে থেমে থাকা একটি মালবাহী ট্রেনকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে যাত্রীবাহী একটি ট্রেন। এ সময় যাত্রীবাহী ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইন স্রোত হয়। যাত্রীবাহী ট্রেনের যাত্রী আহত হয় অন্তত ৪০ %। ঘটনাস্থলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন, রেলওয়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত হন। ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা, দুর্ঘটনা ও সংঘর্ষে বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, মালবাহী ট্রেন অপেক্ষমাণ অবস্থায় ছিল। এ সময় ঢাকা-টাঙ্গাইলগামী যাত্রীবাহী আন্তঃনগর ট্রেন এসে অপেক্ষমাণ ট্রেনটির পেছনে থেকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষে পাঁচটি বগি চোরমোড়ে হয়ে যায়। গুরুতর আহত হয় দুই চালক ও দুই সহকারী। তাদেরকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে পৌছে ট্রেনের বগি গুলোর ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বগীর ভিতরে কোন মোরদেহ রয়েছে কিনা এবং আহত রয়েছে কিনা মূলত সেটাই দেখছেন তারা। দুর্ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীর সাথে কথা বলতে চাইনি রেল কর্মকর্তারা কেউ। আরও পড়ুনঃ বোয়ালমারীতে মে দিবসে শ্রমিক ইউনিয়নের শোভাযাত্রা গণমাধ্যমকর্মীদেরকে ফায়ার সার্ভিস জানায়, আমরা উদ্ধার কাজ শুরু করেছি এখন পর্যন্ত ভিতরে কাউকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। পরবর্তীতে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।
গাজীপুর জয়দেবপুর ৩ মে সকাল ১১ টার দিকে রেলওয়ে স্টেশনে থেমে থাকা একটি মালবাহী ট্রেনকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে যাত্রীবাহী একটি ট্রেন। এ সময় যাত্রীবাহী ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইন স্রোত হয়।
যাত্রীবাহী ট্রেনের যাত্রী আহত হয় অন্তত ৪০ %। ঘটনাস্থলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন, রেলওয়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত হন।
ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা, দুর্ঘটনা ও সংঘর্ষে বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, মালবাহী ট্রেন অপেক্ষমাণ অবস্থায় ছিল। এ সময় ঢাকা-টাঙ্গাইলগামী যাত্রীবাহী আন্তঃনগর ট্রেন এসে অপেক্ষমাণ ট্রেনটির পেছনে থেকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষে পাঁচটি বগি চোরমোড়ে হয়ে যায়। গুরুতর আহত হয় দুই চালক ও দুই সহকারী। তাদেরকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে পৌছে ট্রেনের বগি গুলোর ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বগীর ভিতরে কোন মোরদেহ রয়েছে কিনা এবং আহত রয়েছে কিনা মূলত সেটাই দেখছেন তারা। দুর্ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীর সাথে কথা বলতে চাইনি রেল কর্মকর্তারা কেউ।
গণমাধ্যমকর্মীদেরকে ফায়ার সার্ভিস জানায়, আমরা উদ্ধার কাজ শুরু করেছি এখন পর্যন্ত ভিতরে কাউকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। পরবর্তীতে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।