দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
গাজীপুরের কাশিমপুরে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা
আরমান হোসেনঃ গাজীপুরের কাশিমপুরের একটি বাড়ি থেকে স্ত্রী-সন্তান ও স্বামীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, স্ত্রী ও সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর স্বামী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রোববার (২৩ মার্চ) সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন গোবিন্দবাড়ি এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন, মো. নাজমুল ইসলাম (২৯), স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২২) ও তাদের ৪ বছরের সন্তান নাদিয়া আক্তার। নিহত নাজমুল টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শুলপ্রতিমা গ্রামের মো. আবুর ছেলে। তার কোনো পেশা ছিল না এবং সে নেশার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, শ্বশুড়ের দেয়া বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে স্বামী বসবাস করতেন। গতরাত ১১টার দিকে তারা ঘুমাতে যান। ঘুমানোর ঘর ভেতর থেকে আটকানো ছিল। তারা ঘুম থেকে না উঠায় শ্বশুড় ঘরের পেছন দিয়ে জানালা টেনে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে ঢুকে স্ত্রী ও চার বছর বয়সী সন্তানের নিথর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ সকাল ১০ টার দিকে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরমান হোসেনঃ
গাজীপুরের কাশিমপুরের একটি বাড়ি থেকে স্ত্রী-সন্তান ও স্বামীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, স্ত্রী ও সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর স্বামী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রোববার (২৩ মার্চ) সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন গোবিন্দবাড়ি এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, মো. নাজমুল ইসলাম (২৯), স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২২) ও তাদের ৪ বছরের সন্তান নাদিয়া আক্তার। নিহত নাজমুল টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শুলপ্রতিমা গ্রামের মো. আবুর ছেলে। তার কোনো পেশা ছিল না এবং সে নেশার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, শ্বশুড়ের দেয়া বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে স্বামী বসবাস করতেন। গতরাত ১১টার দিকে তারা ঘুমাতে যান। ঘুমানোর ঘর ভেতর থেকে আটকানো ছিল।
তারা ঘুম থেকে না উঠায় শ্বশুড় ঘরের পেছন দিয়ে জানালা টেনে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে ঢুকে স্ত্রী ও চার বছর বয়সী সন্তানের নিথর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ সকাল ১০ টার দিকে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।