ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

গাইবান্ধায় বন্যায় ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি বেড়েছে। এরমধ্যে আজ বুধবার বিকেল ৩টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার এবং জেলা শহরের নিউ ব্রিজ এলাকায় ঘাঘট নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় তিস্তায় পানি কমেছে। তবে করতোয়া নদীর পানি বিপদসীমা ছুই ছুই করছে।
অপরদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে সদর উপজেলার কামারজানি ও ফুলছড়ি উপজেলার পশ্চিম খাটিয়ামারি ও পিপুলিয়া, ফজলুপুর ইউনিয়নের খাটিয়ামারি, এড়েন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের জিগাবাড়ী ও হরিহন্ডি, গজারিয়া ইউনিয়নের গলনা ও কাতলামারি, উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া, ভুষির ভিটা, যমুনা নদীর ভাঙনে সাঘাটা উপজেলার ভরতখালি ইউনিয়নের গোবিন্দি নামক এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধা পাউবো সুত্র জানায়, উজানের ঢলে গাইবান্ধার চারটি উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর, এরেন্ডাবাড়ি, উড়িয়া, গজারিয়া, ফুলছড়ি, কঞ্চিপাড়া, সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, ভরতখালি, জুমারবাড়ি, সাঘাটা, গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লারচর, কামারজানি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর, চন্ডিপুর, কাপাসিয়া, তারাপুর ও শ্রীপুর।
ফলে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। ইউনিয়নগুলোর বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ও ছোট ছোট বাজারের দোকানপাট ডুবে গেছে। গবাদি পশু নিয়ে বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা নৌকায় করে নিরাপদে গবাদিপশু সরিয়ে নিচ্ছেন।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধ অব্যাহত থাকলে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধের ভিতরে নদ-নদী বেষ্টিত গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার চরগুলোর বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

গাইবান্ধায় বন্যায় ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত

আপডেট টাইম : ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১
মোঃ আবদুস সালাম তালুকদার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ :
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি বেড়েছে। এরমধ্যে আজ বুধবার বিকেল ৩টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার এবং জেলা শহরের নিউ ব্রিজ এলাকায় ঘাঘট নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় তিস্তায় পানি কমেছে। তবে করতোয়া নদীর পানি বিপদসীমা ছুই ছুই করছে।
অপরদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে সদর উপজেলার কামারজানি ও ফুলছড়ি উপজেলার পশ্চিম খাটিয়ামারি ও পিপুলিয়া, ফজলুপুর ইউনিয়নের খাটিয়ামারি, এড়েন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের জিগাবাড়ী ও হরিহন্ডি, গজারিয়া ইউনিয়নের গলনা ও কাতলামারি, উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া, ভুষির ভিটা, যমুনা নদীর ভাঙনে সাঘাটা উপজেলার ভরতখালি ইউনিয়নের গোবিন্দি নামক এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধা পাউবো সুত্র জানায়, উজানের ঢলে গাইবান্ধার চারটি উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর, এরেন্ডাবাড়ি, উড়িয়া, গজারিয়া, ফুলছড়ি, কঞ্চিপাড়া, সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, ভরতখালি, জুমারবাড়ি, সাঘাটা, গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লারচর, কামারজানি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর, চন্ডিপুর, কাপাসিয়া, তারাপুর ও শ্রীপুর।
ফলে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। ইউনিয়নগুলোর বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ও ছোট ছোট বাজারের দোকানপাট ডুবে গেছে। গবাদি পশু নিয়ে বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা নৌকায় করে নিরাপদে গবাদিপশু সরিয়ে নিচ্ছেন।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধ অব্যাহত থাকলে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধের ভিতরে নদ-নদী বেষ্টিত গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার চরগুলোর বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।