দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
২০২
বার পঠিত
গরমে হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষেই অসুস্থ হয়ে পড়ল ৭ শিক্ষার্থী
মো: হানিফ উদ্দিন সাকিবঃ নোয়াখালীর জেলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় তীব্র তাপদাহে ৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে ৭ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ মে ) দুপুরে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের লক্ষিদিয়া গ্রামে। স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ সবাই নন্দ কুমার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। প্রতিদিনের ন্যায় শিক্ষার্থীরা এ্যাসেম্বলিতে যোগ দেয়। যথা নিয়মে ক্লাশ শুরু হয়। ক্লাশ শুরুর কিছুক্ষণ পর টিনশেডের একটি ভবনে ছাত্রীরা অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তাৎক্ষনিক পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ডেকে এনে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেন। পরে অসুস্থ্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের খবর দিলে তারা এসে তাদের সন্তানদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অসুস্থ্য ছাত্রীরা হল সুরাইয়া আক্তার ৮শ্রেনি, আফিফা খাতুন ১০ শ্রেনি, ফাতেমা বেগম ১০ শ্রেণি সহ ৭ জন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত উপসহকারি মেডিকেল অফিসার মো. সামছুদ্দিন বলেন, অধিক গরমে তীব্রতা বাড়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে ছাত্রীদের হাসপাতালে নিয়ে আসলে আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। তারা আগের চেয়ে ভালো আছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাগর চন্দ্র দাস বলেন , বিদ্যালয়ে অবকাঠামে দুর্বল হওয়ায় এবং সীমিত পরিসরে টিনশেডের রুমে অনেকটা গাদাগাদি করে ক্লাশ নিতে হয়। উপরন্তু তীব্র তাপদাহের কারণে ক্লাশরুমে পাঠদান চলাকালীন সময়ে ৭ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসক...
মো: হানিফ উদ্দিন সাকিবঃ
নোয়াখালীর জেলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় তীব্র তাপদাহে ৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে ৭ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে ) দুপুরে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের লক্ষিদিয়া গ্রামে।
স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ সবাই নন্দ কুমার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। প্রতিদিনের ন্যায় শিক্ষার্থীরা এ্যাসেম্বলিতে যোগ দেয়। যথা নিয়মে ক্লাশ শুরু হয়। ক্লাশ শুরুর কিছুক্ষণ পর টিনশেডের একটি ভবনে ছাত্রীরা অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তাৎক্ষনিক পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ডেকে এনে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেন।
পরে অসুস্থ্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের খবর দিলে তারা এসে তাদের সন্তানদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অসুস্থ্য ছাত্রীরা হল সুরাইয়া আক্তার ৮শ্রেনি, আফিফা খাতুন ১০ শ্রেনি, ফাতেমা বেগম ১০ শ্রেণি সহ ৭ জন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত উপসহকারি মেডিকেল অফিসার মো. সামছুদ্দিন বলেন, অধিক গরমে তীব্রতা বাড়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে ছাত্রীদের হাসপাতালে নিয়ে আসলে আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। তারা আগের চেয়ে ভালো আছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাগর চন্দ্র দাস বলেন , বিদ্যালয়ে অবকাঠামে দুর্বল হওয়ায় এবং সীমিত পরিসরে টিনশেডের রুমে অনেকটা গাদাগাদি করে ক্লাশ নিতে হয়। উপরন্তু তীব্র তাপদাহের কারণে ক্লাশরুমে পাঠদান চলাকালীন সময়ে ৭ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসক দিয়ে ছুটি দেওয়া হয়।