আপডেট টাইম :
০৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
১৩৫
বার পঠিত
কালুখালীর আনসার সদস্যের সততাঃ ৮০ হাজার টাকা চেইন ফিরে পেলো হিন্দু রমনী
সাহিদা পারভীনঃ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার এক আনসার ও ভিডিপি সদস্যের সততায় ৮০ হাজার টাকার স্বর্ণের চেইন ফিরে পেলো এক হিন্দু রমনী। মঙ্গলবার উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিস ও পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বর্ণের চেইন ফেরত প্রদানকারী আনসার ও ভিডিপি সদস্যের নাম মো: আবু বক্কার শেখ। সে কালুখালী উপজেলার আনসার কোম্পানী কমান্ডার হিসেবে কর্মরত আছে। সম্প্রতী শেষ হওয়া দূর্গাপূজা চলাকালে আবু বক্কার কালুখালীর মদনমোহন আঙ্গিনায় পিসি হিসেবে দায়িত্ব পায়। নবমীর দিন আরতী ও নাচগান চলাকালে ওই মন্দিরে ভক্তদের একটি স্বর্ণের চেইন হারিয়ে যায়। পরদিন সকালে আনসারের পিসি আবু বক্কার চেইনটি খুজে পায়। তিনি চেইনটি মন্দিরের সভাপতি যাদব কুমার দত্তের নিকট জমা দেন। মন্দিরের মাইকে এ সংবাদ প্রদান করা হলে ১০ ব্যক্তি চেইনটি দাবীদার হন।কিন্তু কেউই এর উপযুক্ত প্রমান দিতে পারে না। অবশেষে পলি রানী শীল নামের এক হিন্দু রমনী চেইনটি নিজের বলে দাবী করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চেইনটির উপযুক্ত প্রমানও প্রদান করেন। পরে মন্দিরের সভাপতি যাদব কুমার দত্ত আনসার সদস্য ও গন্যমান্যদের উপস্থিতিতে পলি রানীর হাতে চেইনটি তুলে দেন। পলি রানী কালুখালীর পাড়াবেলগাছি গ্রামের দিলীপ শীলের কনে। চেইন পাবার পর পলি জানায়, আনসাররা মহান মানুষ। আমি তাদের পুরস্কার দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু তারা নেয়নি। তারা বলেছে, এটা আমাদের দায়িত্ব।
সাহিদা পারভীনঃ
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার এক আনসার ও ভিডিপি সদস্যের সততায় ৮০ হাজার টাকার স্বর্ণের চেইন ফিরে পেলো এক হিন্দু রমনী। মঙ্গলবার উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিস ও পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্বর্ণের চেইন ফেরত প্রদানকারী আনসার ও ভিডিপি সদস্যের নাম মো: আবু বক্কার শেখ। সে কালুখালী উপজেলার আনসার কোম্পানী কমান্ডার হিসেবে কর্মরত আছে।
সম্প্রতী শেষ হওয়া দূর্গাপূজা চলাকালে আবু বক্কার কালুখালীর মদনমোহন আঙ্গিনায় পিসি হিসেবে দায়িত্ব পায়। নবমীর দিন আরতী ও নাচগান চলাকালে ওই মন্দিরে ভক্তদের একটি স্বর্ণের চেইন হারিয়ে যায়। পরদিন সকালে আনসারের পিসি আবু বক্কার চেইনটি খুজে পায়।
তিনি চেইনটি মন্দিরের সভাপতি যাদব কুমার দত্তের নিকট জমা দেন। মন্দিরের মাইকে এ সংবাদ প্রদান করা হলে ১০ ব্যক্তি চেইনটি দাবীদার হন।কিন্তু কেউই এর উপযুক্ত প্রমান দিতে পারে না। অবশেষে পলি রানী শীল নামের এক হিন্দু রমনী চেইনটি নিজের বলে দাবী করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চেইনটির উপযুক্ত প্রমানও প্রদান করেন। পরে মন্দিরের সভাপতি যাদব কুমার দত্ত আনসার সদস্য ও গন্যমান্যদের উপস্থিতিতে পলি রানীর হাতে চেইনটি তুলে দেন।
পলি রানী কালুখালীর পাড়াবেলগাছি গ্রামের দিলীপ শীলের কনে। চেইন পাবার পর পলি জানায়, আনসাররা মহান মানুষ। আমি তাদের পুরস্কার দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু তারা নেয়নি। তারা বলেছে, এটা আমাদের দায়িত্ব।