ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীতে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার-২

মোহাম্মদ আবু নাছের:

 

নোয়াখালীর সদর উপজেলার মাইজদীতে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

 

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মাইজদী এলাকার মেসার্স আবদুল হক ফিলিং স্টেশনের পশ্চিম পাশে মহাসড়কে ‘লাল-সবুজ’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর গ্রামের মান্নান ক্যাশিয়ার বাড়ির মৃত আবদুল মান্নান ক্যাশিয়ারের ছেলে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গী ওরফে এক্সেল জাহাঙ্গীর (৬৩) এবং তার সহযোগী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের খিলগাঁও এলাকার নাসিরের টেকের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. মিলন (৫০)।

 

অভিযান সূত্রে জানা যায়, ইয়াবা পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা ডিএনসি সদস্যরা মাইজদী এলাকায় কক্সবাজার থেকে সোনাপুরগামী ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-২৩৭০ নম্বরের ‘লাল-সবুজ’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালায়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি করলে তাদের কাছ থেকে ৮৫০ পিস ইয়াবা ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

নোয়াখালী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, এক্সেল জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ১৩টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, অপরদিকে মো. মিলনের বিরুদ্ধে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ৫ জুলাই চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আনন্দমুখর পরিবেশে দেশজুড়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হচ্ছে

error: Content is protected !!

কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীতে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার-২

আপডেট টাইম : ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :

মোহাম্মদ আবু নাছের:

 

নোয়াখালীর সদর উপজেলার মাইজদীতে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

 

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মাইজদী এলাকার মেসার্স আবদুল হক ফিলিং স্টেশনের পশ্চিম পাশে মহাসড়কে ‘লাল-সবুজ’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর গ্রামের মান্নান ক্যাশিয়ার বাড়ির মৃত আবদুল মান্নান ক্যাশিয়ারের ছেলে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গী ওরফে এক্সেল জাহাঙ্গীর (৬৩) এবং তার সহযোগী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের খিলগাঁও এলাকার নাসিরের টেকের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. মিলন (৫০)।

 

অভিযান সূত্রে জানা যায়, ইয়াবা পাচার হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা ডিএনসি সদস্যরা মাইজদী এলাকায় কক্সবাজার থেকে সোনাপুরগামী ঢাকা মেট্রো-ব-১৩-২৩৭০ নম্বরের ‘লাল-সবুজ’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালায়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি করলে তাদের কাছ থেকে ৮৫০ পিস ইয়াবা ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

নোয়াখালী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, এক্সেল জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ১৩টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, অপরদিকে মো. মিলনের বিরুদ্ধে তিনটি মাদক মামলা রয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ৫ জুলাই চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।