দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
অর্থনীতি ডেস্ক: সত্তোর বছর বয়স্ক ইউসুফ জীবনের একটি দীর্ঘ সময় পার করেছেন পশুব্যবসা করে। বয়সের ভার এবং অসুস্থতা এখন তার নিত্যসঙ্গী, যার কারণে চলাফেরা করাও তার জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে হাটে গিয়ে পশু কেনাবেচা করা এই মানুষটি এখন শারীরিক অসুস্থতার কারণে ঘরবন্দী জীবন কাটাচ্ছেন।তার পারিবারিক জীবনে বড় কোনো সংকট না থাকলেও ব্যবসার প্রতি টান থেকেই তিনি এই পেশা ধরে রেখেছিলেন। তার দুই ছেলে প্রতিষ্ঠিত এবং চাকরিজীবী, আর মেয়েদেরও বিয়ে হয়ে গেছে। অর্থাৎ পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ও দায়িত্বের ইতি ঘটলেও ব্যবসার মায়া তিনি সহজে ত্যাগ করতে পারেননি।তবে শারীরিক সক্ষমতা ফুরিয়ে আসায় এখন আর আগের মতো হাটে সময় দেওয়া সম্ভব হয় না ইউসুফের পক্ষে। একসময়ের জমজমাট কর্মব্যস্ততা এখন কেবল স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। চারপাশের হাটে যখন বিভিন্ন উৎসবে পশুর ব্যাপক সমাগম ঘটে, তখন তিনি কেবল দূর থেকেই তা অনুভব করেন।জীবনের এই অন্তিম পর্বে এসে বার্ধক্য ও অসুস্থতা তার কর্মমুখর দিনগুলোর ওপর পর্দা টেনে দিয়েছে। তবুও পশুব্যবসার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যে আত্মিক যোগাযোগ, তা এখনো অমলিন রয়ে গেছে। পরিবারের সহযোগিতা থাকলেও নিজের হাতে গড়া এই ব্যবসার শূন্যতা তাকে সবসময়ই নাড়া দেয়।
অর্থনীতি ডেস্ক: সত্তোর বছর বয়স্ক ইউসুফ জীবনের একটি দীর্ঘ সময় পার করেছেন পশুব্যবসা করে। বয়সের ভার এবং অসুস্থতা এখন তার নিত্যসঙ্গী, যার কারণে চলাফেরা করাও তার জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে হাটে গিয়ে পশু কেনাবেচা করা এই মানুষটি এখন শারীরিক অসুস্থতার কারণে ঘরবন্দী জীবন কাটাচ্ছেন।
তার পারিবারিক জীবনে বড় কোনো সংকট না থাকলেও ব্যবসার প্রতি টান থেকেই তিনি এই পেশা ধরে রেখেছিলেন। তার দুই ছেলে প্রতিষ্ঠিত এবং চাকরিজীবী, আর মেয়েদেরও বিয়ে হয়ে গেছে। অর্থাৎ পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ও দায়িত্বের ইতি ঘটলেও ব্যবসার মায়া তিনি সহজে ত্যাগ করতে পারেননি।
তবে শারীরিক সক্ষমতা ফুরিয়ে আসায় এখন আর আগের মতো হাটে সময় দেওয়া সম্ভব হয় না ইউসুফের পক্ষে। একসময়ের জমজমাট কর্মব্যস্ততা এখন কেবল স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। চারপাশের হাটে যখন বিভিন্ন উৎসবে পশুর ব্যাপক সমাগম ঘটে, তখন তিনি কেবল দূর থেকেই তা অনুভব করেন।
জীবনের এই অন্তিম পর্বে এসে বার্ধক্য ও অসুস্থতা তার কর্মমুখর দিনগুলোর ওপর পর্দা টেনে দিয়েছে। তবুও পশুব্যবসার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যে আত্মিক যোগাযোগ, তা এখনো অমলিন রয়ে গেছে। পরিবারের সহযোগিতা থাকলেও নিজের হাতে গড়া এই ব্যবসার শূন্যতা তাকে সবসময়ই নাড়া দেয়।