ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শহীদ দিবস পালন

আনসার আহমেদ উল্লাহঃ

 

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা পূর্ব লন্ডনের একটি হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

গত ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ব লন্ডনের পিউর চায় এর কনফারেন্স হল রুমে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, জগন্নাথপুর টাইমস এর সম্পাদক অধ্যাপক সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী ইকরা টিভির উপস্থাপক কবি সাংবাদিক মিজানুর রহমান মীরুর পরিচালনায় মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

 

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনায় অংশ নেন গবেষক-সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী ও আনসার আহমদ উল্লাহ। একুশের কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন স্মৃতি আজাদ, হাফসা ইসলাম, ইমদাদুন খান ও আসমা মতিন।

 

একুশের আলোচনায় বক্তারা বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য একটি বিশেষ দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন, শফিউর রহমানসহ নাম না জানা অনেক শহীদ। ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশসহ সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল দিন হিসেবে পরিচিত। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও সুপরিচিত। বাঙালির ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

 

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ ঘোষণা দেয়, প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রিপোর্টার্স ইউনিটির আজকের এই আলোচনা বিদেশের মাটিতে সার্থক হয়ে উঠুক।

 

আলোচনায় আরও অংশ নেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, সহ-সভাপতি জামাল খান, সহ-সভাপতি সাহেদা রহমান, সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক এসকেএম আশরাফুল হুদা, কোষাধ্যক্ষ আজিজুল আম্বিয়া, সাংগঠনিক ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ সুয়েজ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ইমরান মাহমুদ, রেডটাইমস এর আসমা মতিন, রেডটাইমস এর ইমদাদুন খান, সাংবাদিক শাকিল আহমদ সোহাগ, মুরাদ চৌধুরী ও ইউকে বিডি টিভির আব্দুল মমিন প্রমুখ।

 

বক্তারা আরও বলেন, পৃথিবীর সকল মাতৃভাষা রক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের মাতৃভাষা বাংলা সর্বত্র শুদ্ধ চর্চা করতে হবে। বিলেতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে বাংলা ভাষার প্রতি পরিচিতি দিতে হবে, শেকড়কে জানাতে হবে। এজন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নিজস্ব শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে। ভিনদেশীদের মাঝে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে হবে।

 

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা পূর্ব লন্ডনের একটি হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

গত ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ব লন্ডনের পিউর চায় এর কনফারেন্স হল রুমে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, জগন্নাথপুর টাইমস এর সম্পাদক অধ্যাপক সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী ইকরা টিভির উপস্থাপক কবি সাংবাদিক মিজানুর রহমান মীরুর পরিচালনায় মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

 

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনায় অংশ নেন গবেষক-সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী ও আনসার আহমদ উল্লাহ। একুশের কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন স্মৃতি আজাদ, হাফসা ইসলাম, ইমদাদুন খান ও আসমা মতিন।

 

একুশের আলোচনায় বক্তারা বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য একটি বিশেষ দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন, শফিউর রহমানসহ নাম না জানা অনেক শহীদ। ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশসহ সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল দিন হিসেবে পরিচিত। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও সুপরিচিত। বাঙালির ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

 

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ ঘোষণা দেয়, প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রিপোর্টার্স ইউনিটির আজকের এই আলোচনা বিদেশের মাটিতে সার্থক হয়ে উঠুক।

 

আলোচনায় আরও অংশ নেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, সহ-সভাপতি জামাল খান, সহ-সভাপতি সাহেদা রহমান, সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক এসকেএম আশরাফুল হুদা, কোষাধ্যক্ষ আজিজুল আম্বিয়া, সাংগঠনিক ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ সুয়েজ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ইমরান মাহমুদ, রেডটাইমস এর আসমা মতিন, রেডটাইমস এর ইমদাদুন খান, সাংবাদিক শাকিল আহমদ সোহাগ, মুরাদ চৌধুরী ও ইউকে বিডি টিভির আব্দুল মমিন প্রমুখ।

 

বক্তারা আরও বলেন, পৃথিবীর সকল মাতৃভাষা রক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের মাতৃভাষা বাংলা সর্বত্র শুদ্ধ চর্চা করতে হবে। বিলেতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে বাংলা ভাষার প্রতি পরিচিতি দিতে হবে, শেকড়কে জানাতে হবে। এজন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নিজস্ব শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে। ভিনদেশীদের মাঝে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: আমতলীতে একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৭

error: Content is protected !!

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শহীদ দিবস পালন

আপডেট টাইম : ০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
আনসার আহমেদ উল্লাহ, লন্ডন (ব্রিটেন) প্রতিনিধি :

আনসার আহমেদ উল্লাহঃ

 

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা পূর্ব লন্ডনের একটি হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

গত ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ব লন্ডনের পিউর চায় এর কনফারেন্স হল রুমে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, জগন্নাথপুর টাইমস এর সম্পাদক অধ্যাপক সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী ইকরা টিভির উপস্থাপক কবি সাংবাদিক মিজানুর রহমান মীরুর পরিচালনায় মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

 

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনায় অংশ নেন গবেষক-সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী ও আনসার আহমদ উল্লাহ। একুশের কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন স্মৃতি আজাদ, হাফসা ইসলাম, ইমদাদুন খান ও আসমা মতিন।

 

একুশের আলোচনায় বক্তারা বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য একটি বিশেষ দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন, শফিউর রহমানসহ নাম না জানা অনেক শহীদ। ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশসহ সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল দিন হিসেবে পরিচিত। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও সুপরিচিত। বাঙালির ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

 

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ ঘোষণা দেয়, প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রিপোর্টার্স ইউনিটির আজকের এই আলোচনা বিদেশের মাটিতে সার্থক হয়ে উঠুক।

 

আলোচনায় আরও অংশ নেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, সহ-সভাপতি জামাল খান, সহ-সভাপতি সাহেদা রহমান, সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক এসকেএম আশরাফুল হুদা, কোষাধ্যক্ষ আজিজুল আম্বিয়া, সাংগঠনিক ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ সুয়েজ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ইমরান মাহমুদ, রেডটাইমস এর আসমা মতিন, রেডটাইমস এর ইমদাদুন খান, সাংবাদিক শাকিল আহমদ সোহাগ, মুরাদ চৌধুরী ও ইউকে বিডি টিভির আব্দুল মমিন প্রমুখ।

 

বক্তারা আরও বলেন, পৃথিবীর সকল মাতৃভাষা রক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের মাতৃভাষা বাংলা সর্বত্র শুদ্ধ চর্চা করতে হবে। বিলেতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে বাংলা ভাষার প্রতি পরিচিতি দিতে হবে, শেকড়কে জানাতে হবে। এজন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নিজস্ব শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে। ভিনদেশীদের মাঝে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে হবে।

 

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা পূর্ব লন্ডনের একটি হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

গত ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ব লন্ডনের পিউর চায় এর কনফারেন্স হল রুমে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, জগন্নাথপুর টাইমস এর সম্পাদক অধ্যাপক সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী ইকরা টিভির উপস্থাপক কবি সাংবাদিক মিজানুর রহমান মীরুর পরিচালনায় মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

 

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনায় অংশ নেন গবেষক-সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী ও আনসার আহমদ উল্লাহ। একুশের কবিতা আবৃত্তিতে অংশ নেন স্মৃতি আজাদ, হাফসা ইসলাম, ইমদাদুন খান ও আসমা মতিন।

 

একুশের আলোচনায় বক্তারা বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য একটি বিশেষ দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন, শফিউর রহমানসহ নাম না জানা অনেক শহীদ। ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশসহ সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল দিন হিসেবে পরিচিত। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও সুপরিচিত। বাঙালির ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

 

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ ঘোষণা দেয়, প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রিপোর্টার্স ইউনিটির আজকের এই আলোচনা বিদেশের মাটিতে সার্থক হয়ে উঠুক।

 

আলোচনায় আরও অংশ নেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, সহ-সভাপতি জামাল খান, সহ-সভাপতি সাহেদা রহমান, সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক এসকেএম আশরাফুল হুদা, কোষাধ্যক্ষ আজিজুল আম্বিয়া, সাংগঠনিক ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ সুয়েজ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ইমরান মাহমুদ, রেডটাইমস এর আসমা মতিন, রেডটাইমস এর ইমদাদুন খান, সাংবাদিক শাকিল আহমদ সোহাগ, মুরাদ চৌধুরী ও ইউকে বিডি টিভির আব্দুল মমিন প্রমুখ।

 

বক্তারা আরও বলেন, পৃথিবীর সকল মাতৃভাষা রক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের মাতৃভাষা বাংলা সর্বত্র শুদ্ধ চর্চা করতে হবে। বিলেতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে বাংলা ভাষার প্রতি পরিচিতি দিতে হবে, শেকড়কে জানাতে হবে। এজন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নিজস্ব শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে হবে। ভিনদেশীদের মাঝে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে হবে।