ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

আগামী নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে ভোট দেবেঃ -প্রধানমন্ত্রী

১৫৭ প্রকল্পের ১০ হাজার স্থাপনা উদ্বোধন

  • বাসস
  • আপডেট টাইম : ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৩
  • ৩৩৯ বার পঠিত

-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দেবে। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচন এগিয়ে এসেছে। হয়তো দু-এক দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ ও সময় (তফশিল) ঘোষণা করবে। জনগণের ভোটের অধিকার আমরাই নিশ্চিত করেছি। কাজেই জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দেবে। নিজের নামে নামকরণ করা ‘শেখ হাসিনা সরণি (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে)’ এবং চট্টগ্রামের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ ১৫৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার ৪১টি স্থাপনা ও ঘরের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি তিনি এসব প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় দেশের ৬৪টি জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ ১০১টি প্রান্ত ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিল।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে নির্বাচনে আসতে চায় না।

 

কারণ, যারা ৩০টি সিট পেয়েছিল (২০০৮ সালে)। স্বাভাবিকভাবে তাদের নির্বাচনে আসার কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকবে না। নির্বাচন বানচাল করে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে আবার বাংলাদেশের মানুষকে ভোগান্তির মধ্যে ফেলা তাদের চেষ্টা। তিনি আরও বলেন, আমি জানি এদেশের মানুষ একটু শান্তিতে ছিল, স্বস্তিতে ছিল, উন্নয়ন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় এ অবরোধ আর অগ্নিসন্ত্রাস-জ্বালাও-পোড়াও। গাড়িতে আগুন, বাসে আগুন দিয়ে মানুষের জীবনযাত্রা যেমন ব্যাহত করা হচ্ছে। স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা ঠিকভাবে ফাইনাল পরীক্ষা দিতে পারছে না। তাদের লেখাপড়া নষ্ট হচ্ছে। অথচ বিএনপির আমলে যেখানে সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ৪৫ ভাগ সেখান থেকে বর্তমানে আমরা সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ৬ ভাগে উন্নীত করেছি। আজকে প্রায় ৯৮ ভাগ ছেলেমেয়ে স্কুলে যাচ্ছে। সেসব ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

বিএনপি-জামায়াতের শুভবুদ্ধির উদয় হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধ্বংসযজ্ঞ তারা বন্ধ করুক। অগ্নিসন্ত্রাস বন্ধ করুক। অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশবাসীকেও বলব-এ অগ্নিসন্ত্রাস আপনাদের প্রতিরোধ করতে হবে। ২০১৩ ও ১৪ ও পরবর্তী সময়ে যে অগ্নিসন্ত্রাস, ভুক্তভোগীদের যন্ত্রণা ও কষ্ট আমরা দেখেছি। কাজেই এ ভোগান্তি যেন মানুষের আর না হয়। তিনি বলেন, আজ আমরা যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি তা আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে। সেজন্য সরকারের ধারাবাহিকতাও প্রয়োজন। সরকারের ধারবাহিকতা রক্ষার প্রয়োজন হিসাবে তার ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পরবর্তীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুঃশাসনের চিত্র তিনি তুলে ধরেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৩৩টি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে যেখানে বিএনপি মাত্র ৩০ আসন পেয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়। অবশ্য তখন নির্বাচন বানচালের অনেক চেষ্টা হয়েছিল। বিএনপি-জামায়াত জোট দেশে অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করে। এরপর ২০১৮-র নির্বাচনেও একই ঘটনা ঘটায় তারা।

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ যাতে সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য আইন করে নির্বাচন কমিশন গঠন, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন তথা নির্বাচন ব্যবস্থার সব সংস্কার আওয়ামী লীগের প্রস্তাবে করা হয়েছে। কারণ, রাতের অন্ধকারে অস্ত্র তুলে ক্ষমতা দখল করে জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

 

অনুষ্ঠানে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

 

পূর্বাচল ও চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়েসহ ১৫৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে-সারা দেশে ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৬৪৪টি বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামো এবং ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৫৩৯৭টি গৃহ নির্মাণ।

 

১১টি জেলা ও ৬০টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীণ মুক্ত ঘোষণা : ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলায় কেউ ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না,’ তার এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ১১টি জেলা ও ৬০টি উপজেলা সম্পূর্ণ ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত বলে ঘোষণা করেন। জেলাগুলো হলো-টাঙ্গাইল, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, পটুয়াখালী, সিলেট ও মৌলভীবাজার। এ নিয়ে দেশের মোট ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত জেলার সংখ্যা দাঁড়াল ৩২টি এবং উপজেলার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৯৪টিতে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ছেঁউড়িয়ায় শুরু হচ্ছে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবসের স্মরণোৎসব

error: Content is protected !!

আগামী নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে ভোট দেবেঃ -প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৩
বাসস :
 অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দেবে। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচন এগিয়ে এসেছে। হয়তো দু-এক দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ ও সময় (তফশিল) ঘোষণা করবে। জনগণের ভোটের অধিকার আমরাই নিশ্চিত করেছি। কাজেই জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দেবে। নিজের নামে নামকরণ করা ‘শেখ হাসিনা সরণি (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে)’ এবং চট্টগ্রামের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ ১৫৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার ৪১টি স্থাপনা ও ঘরের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি তিনি এসব প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় দেশের ৬৪টি জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ ১০১টি প্রান্ত ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিল।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে নির্বাচনে আসতে চায় না।

 

কারণ, যারা ৩০টি সিট পেয়েছিল (২০০৮ সালে)। স্বাভাবিকভাবে তাদের নির্বাচনে আসার কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকবে না। নির্বাচন বানচাল করে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে আবার বাংলাদেশের মানুষকে ভোগান্তির মধ্যে ফেলা তাদের চেষ্টা। তিনি আরও বলেন, আমি জানি এদেশের মানুষ একটু শান্তিতে ছিল, স্বস্তিতে ছিল, উন্নয়ন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় এ অবরোধ আর অগ্নিসন্ত্রাস-জ্বালাও-পোড়াও। গাড়িতে আগুন, বাসে আগুন দিয়ে মানুষের জীবনযাত্রা যেমন ব্যাহত করা হচ্ছে। স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা ঠিকভাবে ফাইনাল পরীক্ষা দিতে পারছে না। তাদের লেখাপড়া নষ্ট হচ্ছে। অথচ বিএনপির আমলে যেখানে সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ৪৫ ভাগ সেখান থেকে বর্তমানে আমরা সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ৬ ভাগে উন্নীত করেছি। আজকে প্রায় ৯৮ ভাগ ছেলেমেয়ে স্কুলে যাচ্ছে। সেসব ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

বিএনপি-জামায়াতের শুভবুদ্ধির উদয় হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধ্বংসযজ্ঞ তারা বন্ধ করুক। অগ্নিসন্ত্রাস বন্ধ করুক। অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশবাসীকেও বলব-এ অগ্নিসন্ত্রাস আপনাদের প্রতিরোধ করতে হবে। ২০১৩ ও ১৪ ও পরবর্তী সময়ে যে অগ্নিসন্ত্রাস, ভুক্তভোগীদের যন্ত্রণা ও কষ্ট আমরা দেখেছি। কাজেই এ ভোগান্তি যেন মানুষের আর না হয়। তিনি বলেন, আজ আমরা যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি তা আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে। সেজন্য সরকারের ধারাবাহিকতাও প্রয়োজন। সরকারের ধারবাহিকতা রক্ষার প্রয়োজন হিসাবে তার ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পরবর্তীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুঃশাসনের চিত্র তিনি তুলে ধরেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৩৩টি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে যেখানে বিএনপি মাত্র ৩০ আসন পেয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়। অবশ্য তখন নির্বাচন বানচালের অনেক চেষ্টা হয়েছিল। বিএনপি-জামায়াত জোট দেশে অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করে। এরপর ২০১৮-র নির্বাচনেও একই ঘটনা ঘটায় তারা।

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ যাতে সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য আইন করে নির্বাচন কমিশন গঠন, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন তথা নির্বাচন ব্যবস্থার সব সংস্কার আওয়ামী লীগের প্রস্তাবে করা হয়েছে। কারণ, রাতের অন্ধকারে অস্ত্র তুলে ক্ষমতা দখল করে জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

 

অনুষ্ঠানে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

 

পূর্বাচল ও চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়েসহ ১৫৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে-সারা দেশে ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৬৪৪টি বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামো এবং ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৫৩৯৭টি গৃহ নির্মাণ।

 

১১টি জেলা ও ৬০টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীণ মুক্ত ঘোষণা : ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলায় কেউ ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না,’ তার এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ১১টি জেলা ও ৬০টি উপজেলা সম্পূর্ণ ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত বলে ঘোষণা করেন। জেলাগুলো হলো-টাঙ্গাইল, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, পটুয়াখালী, সিলেট ও মৌলভীবাজার। এ নিয়ে দেশের মোট ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত জেলার সংখ্যা দাঁড়াল ৩২টি এবং উপজেলার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৯৪টিতে।