আপডেট টাইম :
০৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
১২৬
বার পঠিত
অবৈধ পুকুর খননের অভিযোগে একজনকে আটক ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
আলিফ হোসেনঃ রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও একজনকে আটক করা হয়েছে। জানা গেছে, ৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার বিকেলে দুর্গাপুর উপজেলার ঝালুকা ইউনিয়নের (ইউপি) গৌরিহার এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) লায়লা নুর তানজু।এসময় অনুমোদন ব্যতীত পুকুর খনন করা অবস্থায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫ (১) ধারায় তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয় এবং এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নুর তানজু বলেন, অনুমতি ব্যতিত পুকুর খনন বা ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিবেশ ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও অবৈধ পুকুর খনন বা ফসলি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।এদিকে একাধিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কৃষি জমি রক্ষা করায় সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন।
আলিফ হোসেনঃ
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও একজনকে আটক করা হয়েছে।
জানা গেছে, ৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার বিকেলে দুর্গাপুর উপজেলার ঝালুকা ইউনিয়নের (ইউপি) গৌরিহার এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর খননের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) লায়লা নুর তানজু।এসময় অনুমোদন ব্যতীত পুকুর খনন করা অবস্থায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫ (১) ধারায় তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয় এবং এক্সেভেটর (ভেকু) মেশিন নিষ্ক্রিয় করা হয়।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নুর তানজু বলেন, অনুমতি ব্যতিত পুকুর খনন বা ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিবেশ ও কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও অবৈধ পুকুর খনন বা ফসলি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।এদিকে একাধিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কৃষি জমি রক্ষা করায় সাধারণ মানুষ অভিযানের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন।