সাহিদা পারভীনঃ
রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের মৎস্যজীবিদের নামে বরাদ্দকৃত চাউল কম প্রদানের সংবাদ প্রকাশ পাওয়ায় নড়েচড়ে বসছে প্রশাসন। সচিব মৎস্যজীবিদের বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে আত্মসাতকৃত চাউল বুঝে দিচ্ছে। আর এভাবেই চেষ্টা চলছে চাউল আত্মসাত সংক্রান্ত অপরাধ ঢাকার।
সোমবার সন্ধায় সরেজমিন গেলে সাতটা গ্রামের মৎস্যজীবি বারেক শেখ জানান, ৭ দিন আগে আমার কার্ডের ১শ কেজি চাউল প্রদান করা হয়। বাঁকী চাউল দেওয়ার কোন শর্ত ছিলো না। এরই মাঝে সংবাদ পত্রে চাউল আত্মসাতের সংবাদ প্রকাশ পায়। এজন্য আজ (সোমবার) আমার বাঁকী চাউল প্রদান করা হয়েছে।
তিনি জানান, একই সাথে সাতটার জাহানগীর, ইয়ারোব, আবুল হোসেন ও সোবাহান শেখের কম প্রদানকৃত চাউলও প্রদান করা হয়েছে। এদিকে পাড়াবেলগাছী গ্রামের রবিউল সরদার জানান, কম প্রদানের প্রতিবাদ করায় তার ১শ ৬০ কেজি চাউল কেড়ে নেয় সচিব সাহেব। তবে সংবাদ প্রকাশ করায় সেই চাউল পুনরায় প্রদান করা হয়েছে। তবে পাড়াবেলগাছী মৎস্যজীবি আজগর প্রামানিক ও মতিন মন্ডল এখন কম প্রদানকৃত চাউলের হিসেব বুঝে পাননি।
উল্লেখ, কালিকাপুর ইউনিয়নের মোট ৮৫ মৎস্যজীবির চাউল প্রদানের কথা। সচিব রবিউল ইসলাম মাষ্টার রোল প্রদান না করায় চাউলের সঠিক হিসাব বুঝার উপায় নেই। তবে বিতরন কাজের তদারকি কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র শীল জানান, ১৯ মৎস্যজীবির চাউল বিতরন তার উপস্থিতীতে হয়নি।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল 
সাহিদা পারভীন, কালুখালী (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 




















