ঢাকা , সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

কুষ্টিয়ায় মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ নিয়ে এখন জমজমাট ব্যস্ততা। গেল মৌসুমের তুলনায় সার, কীটনাশকসহ উৎপাদন ব্যয় দ্বিগুণ বেড়ে গেলেও এ মৌসুমে পেঁয়াজের বাজারদর ভালো থাকায় কৃষকেরা আশাবাদী।

 

উপজেলার নির্ধারিত ৩ হাজার ২৪১ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

 

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত এলাকার কৃষক শরিফুল ইসলাম জানান, গত মৌসুমে তিনি ৯ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ ও রসুনের আবাদ করে প্রায় ৪ লাখ টাকা লোকসান গুনেছেন। মূলত উত্তোলনের সময় দাম ভালো থাকলেও সরকারের হঠাৎ আমদানির সিদ্ধান্তে বাজার ধসে পড়ায় ক্ষতিতে পড়তে হয় তাকে। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। তিনি ১৯ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন, বিঘাপ্রতি প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও বর্তমান বাজারদর ভালো থাকায় লাভের আশা করছেন।

 

একই এলাকার কৃষক নান্টু আলী জানান, এ মৌসুমে তিনি ৮ বিঘা জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ করেছেন। বীজের দাম কিছুটা কম হলেও সার ও কীটনাশকের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ব্যয় বেড়েছে। তারপরও তিনি আশাবাদী এবং প্রতিবিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মণ পর্যন্ত ফলন আসতে পারে বলে ধারণা করছেন।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন বলেন, রবি মৌসুমে পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করায় এবার সহজেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

অন্তান্ত প্রান্ত কৃষক পরিবারের সদস্য কলকাতা পুলিশের এ সি সি হলেন সাকির আহম্মেদ

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়ায় মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা

আপডেট টাইম : ১১ ঘন্টা আগে
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

ইসমাইল হােসেন বাবুঃ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ নিয়ে এখন জমজমাট ব্যস্ততা। গেল মৌসুমের তুলনায় সার, কীটনাশকসহ উৎপাদন ব্যয় দ্বিগুণ বেড়ে গেলেও এ মৌসুমে পেঁয়াজের বাজারদর ভালো থাকায় কৃষকেরা আশাবাদী।

 

উপজেলার নির্ধারিত ৩ হাজার ২৪১ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

 

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত এলাকার কৃষক শরিফুল ইসলাম জানান, গত মৌসুমে তিনি ৯ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ ও রসুনের আবাদ করে প্রায় ৪ লাখ টাকা লোকসান গুনেছেন। মূলত উত্তোলনের সময় দাম ভালো থাকলেও সরকারের হঠাৎ আমদানির সিদ্ধান্তে বাজার ধসে পড়ায় ক্ষতিতে পড়তে হয় তাকে। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। তিনি ১৯ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন, বিঘাপ্রতি প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও বর্তমান বাজারদর ভালো থাকায় লাভের আশা করছেন।

 

একই এলাকার কৃষক নান্টু আলী জানান, এ মৌসুমে তিনি ৮ বিঘা জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ করেছেন। বীজের দাম কিছুটা কম হলেও সার ও কীটনাশকের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় ব্যয় বেড়েছে। তারপরও তিনি আশাবাদী এবং প্রতিবিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মণ পর্যন্ত ফলন আসতে পারে বলে ধারণা করছেন।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন বলেন, রবি মৌসুমে পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করায় এবার সহজেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


প্রিন্ট