মিজান উর রহমানঃ
সালথায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ ৫ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষ হয়েছে। ফরিদপুরে সালথায় ৫ ঘণ্টা ধরে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষে উভয় পক্ষে প্রায় শতাধিক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি সমর্থক দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ বাধে ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর ২০২৫) সকাল ৭টা থেকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়াগট্টি বাজারে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই এই সংঘর্ষ কয়েকটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ১টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলেছে বলে জানা যায়। এতে অন্তত শতাধিক মানুষের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই ইউনিয়নের গ্রাম্য মাতুব্বর নুরু ও জাহিদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দুজনেই ফরিদপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর সমর্থক।
দু’পক্ষের লোকজন আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সকাল ৭টার দিকে দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, ইট-পাটকেল ইত্যাদি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় পার্শ্ববর্তী কয়েকটি গ্রামের লোকজন এ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০০ জন আহত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহতদের অনেকে বাড়িতে আটকা পড়েছেন ও বেশ কিছু বাড়ি-ঘর, দোকানপাট ভাঙচুর-লুটপাট করা হয়।
হাবেলী গট্টি গ্রামের বাসিন্দা আলেপ শেখ আহত হয়ে নিজ বাড়িতে আটকা রয়েছেন। তিনি নুরু মাতব্বরের গ্রুপের সমর্থক। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কবির হোসেন নামে তার এক স্বজন বলেন, আমার শ্বশুর বৃদ্ধ মানুষ, সকালে বাড়িতে ছিলেন। তার পায়ে একাধিক কোপ দেওয়া হয়েছে, বাড়ি থেকে উদ্ধারও করা যাচ্ছে না।
এদিকে জাহিদ মাতুব্বর গ্রুপের ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামের নেতৃত্ব বালিয়া বাজার সংলগ্ন ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তির ৫টি গরু লুট করার একটি ভিডিও দেখা গেছে।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সালথা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মারুফ হাসান বলেন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী মিলে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। এ ব্যাপারে পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারবো।
প্রিন্ট

বাঘায় মুক্তিযোদ্ধার সাথে সংসদ সদস্য প্রার্থী চাঁদের মতবিনিময় 
মিজান উর রহমান, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার 











