ঢাকা , সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

বিএনপি প্রার্থী কি পরিবর্তন হচ্ছেঃ টক অব দি পটিয়া !

 প্রদীপ্ত চক্রবর্তীঃ

 

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব এনামুল হক এনামের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর আবেদন জানিয়েছেন মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চট্রগ্রাম দক্ষিব জেলার আহ্বায়ক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সহ ৪ নেতা।

 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে ৪ নেতা স্বাক্ষরিত চিঠিটির কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপি প্রার্থী পরিবর্তনের গুঞ্জন চলছে । যা টক অব দি পটিয়ায় পরিণত হয়েছে।

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরাবরে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীরা যথাক্রমে সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রেজাউল করিম নেছার এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু। আমরা চট্টগ্রাম-১২, পটিয়া সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমরা সকলে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আমরা চারজন একমত হয়েছি।

 

আমাদের মধ্য থেকে যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হলে বিপুল ভোটে এই আসনটি উপহার দিতে পারব। আমাদের এই চারজনের মধ্যে গাজী শাহজাহান জুয়েল দুই বারের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন ও ইদ্রিস মিয়া সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। উনাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচন করলে এই আসনটি বিপুল ভোটে বিএনপি চূড়ান্ত মনোনয়ন যাকে দেবে তারা জয়লাভ করা সহজ হবে।

 

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, পটিয়া আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনীত প্রার্থী এনামুল হক এনাম এস আলম কাণ্ড এবং সংশ্লিষ্টতায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের একজন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া বলেন, পটিয়া ও জেলায় এস আলমের বিলাসবহুল গাড়ি সড়ানোসহ একের পর এক বিতর্কিত কার্যক্রমের জন্য বহিষ্কৃত হন এনামুল হক এনাম। তাকে দলে ফিরিয়ে এনে প্রার্থী করার বিষয়টি জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশই মেনে নিতে পারেননি। এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রার্থী করলে এই আসনে বিএনপির বিজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে । সংসদীয় আসন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) ঘোষিত প্রাথমিক মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানো হয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি।

 

এই ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম বলেন, যে ব্যক্তি সারা বছর কানাডা থাকেন, যার কোনো রাজনৈতিক ভিত্তি নেই, বাড়ি নেই, ঘর নেই তারা যদি কোন অযৌক্তিক কথা বলে সেটা তো গ্রহণ যোগ্য হতে পারে না।

এই দিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদমান পটিয়া বিএনপির অন্তঃ কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। তথাপি সব গ্রুপের নেতা কর্মীরা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

অন্তান্ত প্রান্ত কৃষক পরিবারের সদস্য কলকাতা পুলিশের এ সি সি হলেন সাকির আহম্মেদ

error: Content is protected !!

বিএনপি প্রার্থী কি পরিবর্তন হচ্ছেঃ টক অব দি পটিয়া !

আপডেট টাইম : ১২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
প্রদীপ্ত চক্রবর্তী, পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

 প্রদীপ্ত চক্রবর্তীঃ

 

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব এনামুল হক এনামের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর আবেদন জানিয়েছেন মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চট্রগ্রাম দক্ষিব জেলার আহ্বায়ক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সহ ৪ নেতা।

 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে ৪ নেতা স্বাক্ষরিত চিঠিটির কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপি প্রার্থী পরিবর্তনের গুঞ্জন চলছে । যা টক অব দি পটিয়ায় পরিণত হয়েছে।

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরাবরে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীরা যথাক্রমে সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রেজাউল করিম নেছার এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু। আমরা চট্টগ্রাম-১২, পটিয়া সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমরা সকলে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আমরা চারজন একমত হয়েছি।

 

আমাদের মধ্য থেকে যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হলে বিপুল ভোটে এই আসনটি উপহার দিতে পারব। আমাদের এই চারজনের মধ্যে গাজী শাহজাহান জুয়েল দুই বারের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন ও ইদ্রিস মিয়া সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। উনাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচন করলে এই আসনটি বিপুল ভোটে বিএনপি চূড়ান্ত মনোনয়ন যাকে দেবে তারা জয়লাভ করা সহজ হবে।

 

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, পটিয়া আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনীত প্রার্থী এনামুল হক এনাম এস আলম কাণ্ড এবং সংশ্লিষ্টতায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের একজন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া বলেন, পটিয়া ও জেলায় এস আলমের বিলাসবহুল গাড়ি সড়ানোসহ একের পর এক বিতর্কিত কার্যক্রমের জন্য বহিষ্কৃত হন এনামুল হক এনাম। তাকে দলে ফিরিয়ে এনে প্রার্থী করার বিষয়টি জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশই মেনে নিতে পারেননি। এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রার্থী করলে এই আসনে বিএনপির বিজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে । সংসদীয় আসন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) ঘোষিত প্রাথমিক মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানো হয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি।

 

এই ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম বলেন, যে ব্যক্তি সারা বছর কানাডা থাকেন, যার কোনো রাজনৈতিক ভিত্তি নেই, বাড়ি নেই, ঘর নেই তারা যদি কোন অযৌক্তিক কথা বলে সেটা তো গ্রহণ যোগ্য হতে পারে না।

এই দিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদমান পটিয়া বিএনপির অন্তঃ কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। তথাপি সব গ্রুপের নেতা কর্মীরা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন।


প্রিন্ট