মোঃ সালমান কবির হৃদয়:
বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জোরপূর্বক দোকান ঘর নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ টুকু মিয়া বগুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টুকু মিয়ার পৈত্রিক সম্পত্তির প্রায় ৫ শতক জমির মধ্যে সড়ক প্রশস্তকরণ লক্ষ্যে সরকার ১ শতক জমি অধিগ্রহণ করে। তবে রেকর্ড বুকে ভুলবশত আরও ১ শতক জমি অধিগ্রহণের আওতায় দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ওই ১ শতক জমির বিষয়ে সংশোধনের জন্য টুকু মিয়া জেলা প্রশাসকের নিকট একটি আবেদনও করেছেন।
এদিকে অধিগ্রহণের পর অবশিষ্ট ৩ শতক জমি টুকু মিয়ার দখলে ছিল। পরবর্তীতে ওই জমির মধ্যে টুকু মিয়া স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতা শাহাদাত হোসেনের কাছে প্রায় দেড় শতক জমি বিক্রয় করেন। বাকি দেড় শতক জমি টুকু মিয়ার দখলে রয়েছে বলে জানা গেছে।
কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, রেকর্ডের ভুল দেখিয়ে অবশিষ্ট জমির একটি অংশে শাহাদাত হোসেন জোরপূর্বক দোকান ঘর নির্মাণের চেষ্টা করছেন। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন শ্রমিক দল নেতা আমিনুল ইসলামের ছেলে মনির হোসেন, যিনি শাহাদাত হোসেনের জামাই।
এ বিষয়ে টুকু মিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামীণ আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, মনির হোসেন ও শাহাদাত হোসেন গ্রামীণ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পুনরায় দোকান ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যান।
পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে বগুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়।
এদিকে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় মনির হোসেন মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে হুমকি প্রদান করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের আশায় মাননীয় জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় গ্রামীণ আদালতের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করেছেন।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল 
মোঃ সালমান কবির হৃদয়, জেলা প্রতিনিধি বগুড়া 


















