ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

রনি রজবঃ

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার কৃতি সন্তান জিয়াউল হক (১৯৩৪-বর্তমান) একজন দই বিক্রেতা ও সমাজসেবক, যিনি শিক্ষার আলো ছড়াতে নিজের উপার্জিত অর্থে পাঠাগার স্থাপন এবং দরিদ্রদের সাহায্য করে ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০২৪ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। তাঁর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ভাণ্ডারে তিন কোটি টাকার বেশি অনুদান অন্তর্ভুক্ত ।

জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী ও অবদান:

জন্ম ও শৈশব: জিয়াউল হক ১৯৩৪ সালের ৬ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভূজা বটতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।

শিক্ষাজীবন: দারিদ্র্যের কারণে ১৯৫৫ সালে মাত্র পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ পান তিনি ।

কর্মজীবন ও সমাজসেবা: তিনি পেশায় একজন দই বিক্রেতা ছিলেন। দই বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ নিজের সংসারের পরিবর্তে সমাজসেবায় ব্যয় করেছেন। ১৯৬৯ সালে তিনি নিজের বাড়িতেই ‘জিয়াউল হক সাধারণ পাঠাগার’ স্থাপন করেন ।

অনুদান ও স্বীকৃতি: তিনি বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা এবং দরিদ্র মানুষদের শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য কোটি টাকার বেশি অনুদান দিয়েছেন । নিঃস্বার্থ সমাজসেবার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক (২০২৪) এবং ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ।
তিনি বর্তমানেও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত আছেন ।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

error: Content is protected !!

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

আপডেট টাইম : ৩ ঘন্টা আগে
রনি রজব, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি :

রনি রজবঃ

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার কৃতি সন্তান জিয়াউল হক (১৯৩৪-বর্তমান) একজন দই বিক্রেতা ও সমাজসেবক, যিনি শিক্ষার আলো ছড়াতে নিজের উপার্জিত অর্থে পাঠাগার স্থাপন এবং দরিদ্রদের সাহায্য করে ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০২৪ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। তাঁর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ভাণ্ডারে তিন কোটি টাকার বেশি অনুদান অন্তর্ভুক্ত ।

জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী ও অবদান:

জন্ম ও শৈশব: জিয়াউল হক ১৯৩৪ সালের ৬ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভূজা বটতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।

শিক্ষাজীবন: দারিদ্র্যের কারণে ১৯৫৫ সালে মাত্র পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ পান তিনি ।

কর্মজীবন ও সমাজসেবা: তিনি পেশায় একজন দই বিক্রেতা ছিলেন। দই বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ নিজের সংসারের পরিবর্তে সমাজসেবায় ব্যয় করেছেন। ১৯৬৯ সালে তিনি নিজের বাড়িতেই ‘জিয়াউল হক সাধারণ পাঠাগার’ স্থাপন করেন ।

অনুদান ও স্বীকৃতি: তিনি বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা এবং দরিদ্র মানুষদের শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য কোটি টাকার বেশি অনুদান দিয়েছেন । নিঃস্বার্থ সমাজসেবার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক (২০২৪) এবং ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ।
তিনি বর্তমানেও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত আছেন ।


প্রিন্ট