ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

১৬ জন শিক্ষকের ৩৮ জন শিক্ষার্থী

মিটিং এর কথা বলে প্রধান শিক্ষক চম্পট

জসীমউদ্দীন ইতিঃ

 

ঠাকুরগাঁয়ের রানীশংকৈলে ১৬ শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারীর জন্য ৩৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে বলে এমনই চিত্র দেখা গেছে রাঘবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ।

 

৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ১০:২৫ মিনিটে সরেজমিনে রাঘবপুর উচ্চ বিদ্যালয় গেলে, ষষ্ঠ শ্রেণীর কক্ষে দেখা মিলে ৩০ জন শিক্ষার্থীর থাকার পরিবর্তে আছে ১০ জন, সপ্তম শ্রেণীতে ৩৫ জন শিক্ষার্থীর পরিবর্তে আছে ১২ জন, অষ্টম শ্রেণিতে ৪০ জন শিক্ষার্থীর পরিবর্তে আছে ৮জন, নবম শ্রেণীতে ৩৯ জন শিক্ষার্থীর পরিবর্তে আছে ১০ জন। ক্লাস পরিদর্শনে শিক্ষার্থীদের কথা বলার সময় প্রধান শিক্ষক দৈনিক শিক্ষা ডটকম প্রতিবেদককে দেখে মিটিং এর কথা বলে প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে চলে যান ।

 

প্রতিষ্ঠানের একাধিক সহকারী শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থী কম আমরা এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার জানানো হয়েছে অভিভাবক সমাবেশ এবং ছাত্র ছত্রীদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য ।

 

প্রতিষ্ঠান প্রধান কোন গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখেনি এবং তিনি নিজের মতো করে প্রতিষ্ঠানে আসেন এবং চলে যান শুধু কেরানিকে জিজ্ঞাসা করে যা কিছু করার নিজের খুশির মত কাজ করেন এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেই আমাদের বিল আটক করার হুমকিও দেওয়া হয় ।

 

প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন বলেন, আমি সভাপতি থাকাকালীন শিক্ষক বিধানচন্দ্র রায় এর আচরণে আমি তেমন কিছু উন্নয়ন করতে পারিনি তিনি টিউশন ফি ১৯৯৫ সাল থেকে এই পর্যন্ত কোন সহকারী শিক্ষককে এক টাকাও দেয়নি এবং উন্নয়নের টাকা সম্পূর্ণ তার পকেটে রয়েছে বর্তমান ব্যাংকে ৯৫ হাজার টাকা । টাকা উত্তোলনের জন্য সভাপতির কাছে ধরনা দিচ্ছে।

 

কইদুল, খোকারাম, আবু সায়েম, মানিক, মাহামুদ, সহ কয়েকজন বলেন, প্রতিষ্ঠানটি এমপিও হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র রায় নোংরা আচরণে এলাকার মানুষ খুব ক্ষিপ্ত এবং তার মনে যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছে শিক্ষার্থী কম হওয়ার পিছনে প্রধান শিক্ষকের হাত রয়েছে বলে একাধিক অভিভাবক জানান।

 

প্রতিষ্ঠাতের সাবেক শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগে মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করলেও গায়ে মাখেনি প্রতিষ্ঠান প্রধান বর্তমান সভাপতি এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কেউ।

 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার শাহীন আক্তার বলেন, শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম হওয়া বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, শিক্ষার্থী উপস্থিত হওয়ার বিষয়ে আমরা কাজ করছি এবং প্রধান শিক্ষককের কাছে জবাবদিহিতা চাইবো।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলাহাটে ২১শে পদকপ্রাপ্ত জিয়াউল হকের জীবন কাহিনী

error: Content is protected !!

১৬ জন শিক্ষকের ৩৮ জন শিক্ষার্থী

আপডেট টাইম : ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি :

জসীমউদ্দীন ইতিঃ

 

ঠাকুরগাঁয়ের রানীশংকৈলে ১৬ শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারীর জন্য ৩৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে বলে এমনই চিত্র দেখা গেছে রাঘবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ।

 

৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ১০:২৫ মিনিটে সরেজমিনে রাঘবপুর উচ্চ বিদ্যালয় গেলে, ষষ্ঠ শ্রেণীর কক্ষে দেখা মিলে ৩০ জন শিক্ষার্থীর থাকার পরিবর্তে আছে ১০ জন, সপ্তম শ্রেণীতে ৩৫ জন শিক্ষার্থীর পরিবর্তে আছে ১২ জন, অষ্টম শ্রেণিতে ৪০ জন শিক্ষার্থীর পরিবর্তে আছে ৮জন, নবম শ্রেণীতে ৩৯ জন শিক্ষার্থীর পরিবর্তে আছে ১০ জন। ক্লাস পরিদর্শনে শিক্ষার্থীদের কথা বলার সময় প্রধান শিক্ষক দৈনিক শিক্ষা ডটকম প্রতিবেদককে দেখে মিটিং এর কথা বলে প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে চলে যান ।

 

প্রতিষ্ঠানের একাধিক সহকারী শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থী কম আমরা এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার জানানো হয়েছে অভিভাবক সমাবেশ এবং ছাত্র ছত্রীদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য ।

 

প্রতিষ্ঠান প্রধান কোন গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখেনি এবং তিনি নিজের মতো করে প্রতিষ্ঠানে আসেন এবং চলে যান শুধু কেরানিকে জিজ্ঞাসা করে যা কিছু করার নিজের খুশির মত কাজ করেন এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেই আমাদের বিল আটক করার হুমকিও দেওয়া হয় ।

 

প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন বলেন, আমি সভাপতি থাকাকালীন শিক্ষক বিধানচন্দ্র রায় এর আচরণে আমি তেমন কিছু উন্নয়ন করতে পারিনি তিনি টিউশন ফি ১৯৯৫ সাল থেকে এই পর্যন্ত কোন সহকারী শিক্ষককে এক টাকাও দেয়নি এবং উন্নয়নের টাকা সম্পূর্ণ তার পকেটে রয়েছে বর্তমান ব্যাংকে ৯৫ হাজার টাকা । টাকা উত্তোলনের জন্য সভাপতির কাছে ধরনা দিচ্ছে।

 

কইদুল, খোকারাম, আবু সায়েম, মানিক, মাহামুদ, সহ কয়েকজন বলেন, প্রতিষ্ঠানটি এমপিও হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র রায় নোংরা আচরণে এলাকার মানুষ খুব ক্ষিপ্ত এবং তার মনে যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছে শিক্ষার্থী কম হওয়ার পিছনে প্রধান শিক্ষকের হাত রয়েছে বলে একাধিক অভিভাবক জানান।

 

প্রতিষ্ঠাতের সাবেক শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগে মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করলেও গায়ে মাখেনি প্রতিষ্ঠান প্রধান বর্তমান সভাপতি এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কেউ।

 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার শাহীন আক্তার বলেন, শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম হওয়া বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, শিক্ষার্থী উপস্থিত হওয়ার বিষয়ে আমরা কাজ করছি এবং প্রধান শিক্ষককের কাছে জবাবদিহিতা চাইবো।


প্রিন্ট