আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী উপজেলার ১৭ জন ব্যক্তি গত ১৬ এপ্রিল ফরিদপুর জেলার কানাইপুর দিগনগর এলাকায় ঢাকা-খুলনা সহাসড়কে বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারায়।

 

এদের মধ্যে আলফাডাঙ্গায় ছিল ১৫ জন ও বোয়ালমারী উপজেলার কুমরুল এলাকার দুই জন। নিহতদের অনেক পরিবার তাদের উপার্জনক্ষম সদস্যদের হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এসব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহযোগীতার হাত বাড়ালেন ঢাকাস্থ আলফাডাঙ্গা উপজেলাবাসীর পক্ষে পৌরসভার মিঠাপুর গ্রামের বাসিন্দা আলফাডাঙ্গার উপজেলার আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য ও বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লুৎফর রহমান খান ও ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদী গ্রামের বাসিন্দা হানিফ কাজী।

 

শুক্রবার বিকেল থেকে ঢাকাস্থ আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাসীর পক্ষে এ দুই ব্যক্তি রাত পর্যন্ত নিহতের বাড়ি ঘুরে ঘুরে আর্থিক সহযোগীতা করেন।

 

এ বিষয়ে হানিফ কাজী বলেন, মানুষ মানুষের জন্য, আমরা ঢাকাস্থ আলফাডাঙ্গা উপজেলাবাসীর পক্ষে থেকে নিহত ব্যক্তির পাশে দাঁড়িয়েছি।

আলফাডাঙ্গার কৃতি সন্তান বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড.জামাল হোসেন মুন্না ভাই, কামারগ্রামের তুষার ভাইসহ এলাকার অনেক কৃতি সন্তানের সার্বিক সহযোগীতায় এ সাহায্য করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অনেক পরিবারের লোকজন রয়েছে খুবই মানবেতর জীবন যাপন করছে।

 

 

আমি সমাজের বৃত্তশালীদের উদার্ত আহ্বান জানাবো এসব পরিবারের পাশে দাঁড়ান। আমাদের সামান্য অর্থ দিয়ে তাদের সহযোগীতা করেছি। যাহা তাদের চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন ঢাকাস্থ আলফাডাঙ্গা উপজেলাবাসী সব সময় যেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।