বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ  ইউনিট কমান্ড ফরিদপুর জেলা ইউনিট কমান্ড ‌ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড ইউনিটের উদ্যোগে ‌ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠান ‌ আজ বিকেল পাঁচটায় ‌ ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে  অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধান উপদেষ্টা জাতির জনক ‌ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের কন্যা ‌ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এবং ‌‌ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ‌ অশালীন ভাষায় কটুক্তি ‌ এবং রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ‌ উক্ত মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ‌ আবুল ফয়েজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ‌ বীর মুক্তিযোদ্ধা  ডাক্তার এম এ জলিল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ‌ এম এ সালাম লাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান মুরাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আব্দুর রহমান, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের  সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল ইসলাম পিকুল, শওকত আলী জাহিদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট এর সাধারণ সম্পাদক সিরাজী কবির খোকন, নারী নেত্রী আসমা আক্তার মুক্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসিবুল হাসান লাবনুর পুত্র ‌ শরিফুল হাসান প্লাবন মিজবাউর রহমান খান ‌ মিরোজ এর   পুত্র ‌ শাহ সুলতান খান রাহাত, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম।
সভায় বক্তারা বলেন ‌ত্রিশ লক্ষ  শহীদ ও দুই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মুক্তিযোদ্ধাগণ কতিপয় রাষ্ট্র বিরোধী তথাকথিত কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের হাতে এভাবে ভূলুণ্ঠিত হতে দেবে না। কোটা নিয়ে মহামান্য হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে তা অমান্য করে আন্দোলন সংগ্রাম করা রাষ্ট্রদ্রোহীতার শামিল। তারা বলেন কোটা সংস্কারের নামে কতিপয় জামাত শিবির রাজাকারদের প্রেতাত্মারা দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষে এসব রাষ্ট্র দ্রোহীতা মূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
দেশের মুক্তিযোদ্ধা গণ তাদের এসব কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করবে না। তারা বলেন ‌ কোটা সংস্কারের নামে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে তা কঠোর হতে প্রতিরোধ করা হবে। বক্তারা বলেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‌ আন্দোলনের ‌ সাথে বিএনপি জামাতচক্র ‌ জড়িত হয়ে পড়েছে ‌ এরা দেশের ভালো চায়না। দেশের উন্নয়নকে ‌ নস্যাৎ করার উদ্দেশ্যে ‌ একের পর এক ‌ দেশ বিরোধী  কর্মকাণ্ড ‌ করে যাচ্ছেন। আগামীতে সকল কর্মকান্ডের জবাব দেওয়া হবে।
তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে। এরপর  জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ‌ মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।