আজ শুক্রবার সারাদেশে মন্দিরে মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। সমস্ত পূজা মন্ডপে প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়েছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে ভক্ত ও কারিগররা সারা দেশের মন্দির ও প্যান্ডেল সাজানোর কাজে ব্যস্ত।

 

উৎসব উপলক্ষে বয়স নির্বিশেষে ভক্তদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে এবং ইতোমধ্যে সারা দেশের পূজা মণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

ষষ্ঠী উপলক্ষে দেবী দুর্গার ‘বোধন’ দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হবে। ২৪ অক্টোবর সারা দেশে নিকটবর্তী নদী ও জলাশয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবটি শেষ হবে।

 

পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে গুজব ছড়ানোর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

পুলিশের নির্দেশনায় পূজা আয়োজকদের নারী এবং পুরুষ ভক্তদের জন্য পৃথক প্রবেশ পথ স্থাপন করতে বলা হয়েছে। সকলকে পূজা মন্ডপে ব্যাগ বহন করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

 

সিসিটিভি ক্যামেরা এবং অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ পূজা মন্ডপে আর্চওয়ে স্থাপন করতে বলা হয়েছে।

 

বিসর্জনের দিন পর্যাপ্ত আলো রাখা এবং সম্ভব হলে যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে জেনারেটর, চার্জার লাইট প্রস্তুত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলেছে।

 

 

প্রতিমা বিসর্জনের জন্য নির্দিষ্ট রুট ব্যবহার করতে এবং পূজা মন্ডপে স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতেও বলা হয়েছে।

 

যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে পুলিশ সদর দপ্তর, ডিএমপি কন্ট্রোল রুম বা র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের কন্ট্রোল রুমে ফোন করতে বলা হয়েছে।