আজ রবিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে যমুনা অয়েলের বোর্ডরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিন দফা দাবিতে রবিবার ভোর থেকে ধর্মঘট পালন করছে পেট্রলপাম্পের মালিকদের একাংশের। যদিও খুলনা বিভাগসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ধর্মঘট চললেও ঢাকা, সিলেট অঞ্চলে পেট্রলপাম্পে তেল বিক্রি অনেকটা স্বাভাবিক ছিল। তবে ডিপো থেকে তেল পরিবহন প্রায় বন্ধ থাকায় পাম্পগুলোতে মজুদ কমছে। ধর্মঘটের কারণে পরিবহন চালকদের মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে বেশ উৎকণ্ঠা ছিল দিনভর। যেসব পাম্পে তেল বিক্রি হয়েছে সেগুলোর সামনে গাড়ি, মোটরসাইকেলের ভিড় দেখা গেছে।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে পেট্রলপাম্প মালিক সমিতির একাংশের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, যারা ধর্মঘট ডেকেছে, তারা সমিতির কেউ না। যেহেতু সরকার ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি মানার আশ্বাস দিয়েছে তাই এখন আন্দোলন করার যুক্তি নেই।
বর্তমানে প্রতি লিটার জ্বালানি তেল বিক্রি করে ২০ পয়সা কমিশন পায় পেট্রলপাম্প। এটি বাড়িয়ে বিক্রয়মূল্যের সাড়ে ৭ শতাংশ করার দাবি তাদের। বাকি দাবির মধ্যে আছে, পেট্রলপাম্পের ব্যবসায়ীরা কমিশন এজেন্ট ও ট্যাংক-লরি ভাড়ার ওপর ভ্যাট সংযুক্ত নয়; এটি আলাদা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ। ২৫ বছরের বেশি বয়সী ট্যাংক-লরির ইকোনমিক লাইফের জন্য পৃথকভাবে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা। ইতোমধ্যে পেট্রলপাম্পের ব্যবসায়ীরা কমিশন এজেন্ট সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে।