জানা গেছে, কলেজছাত্র তানজিলসহ কয়েকজন বন্ধু কোচিং শেষে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে পান্টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে গল্প করছিলেন। এ সময় অপর বন্ধু ইমন ওরফে ওবাইদা এসে তাদের সঙ্গে গল্প শুরু করেন। একপর্যায়ে তানজিলের সঙ্গে ইমনের তর্কবিতর্ক হয়। এরই মধ্যে ইমন তার পকেট থেকে ছুরি বের করে তানজিলের বুকে কয়েকটা আঘাত করেন। এতে তিনি আহত হয়ে পড়লে অন্যান্য বন্ধু ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং তানজিলের বন্ধু স্বাধীন বলেন, কোচিং শেষে আমরা গল্প করছিলাম, গল্প করতে করতে তানজিলের সঙ্গে ফেইসবুকের ছবি পোস্ট করা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। এ সময় কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই ইমন তার পকেট থেকে ছুরি বের করে তানজিলের বুকে ঢুকিয়ে দেন। এতে আহত হয়ে সেখানেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তানজিল।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা তাপস কুমার সরকার বলেন, তানজিল নামের এক যুবককে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে তার বন্ধু এবং স্বজনরা। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল।
এদিকে, ঘটনার পরপরই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন ইমন ও তার পরিবারের সদস্যরা।
|
কুমারখালী থানার ওসি মো. মোহসিন হোসাইন জানান, বন্ধুর ছুরিকাঘাতে বন্ধু নিহত হয়েছেন। তবে কী কারণে এমন ঘটনা তা তিনি জানতে পারেননি। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেফতার অভিযান শুরু হয়েছে।