ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জনতা জুট মিলের নারী শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। নারী জুট মিল শ্রমিক কেরশাইল গ্রামের জুয়েল মীরের স্ত্রী মোছা: রিক্তা বেগম (৩০)। নারী শ্রমিকে বাবার বাড়ি সালথা উপজেলার নকুলহাটি গ্রামে। তাঁর স্বামী এক থেকে দেড় বছর আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরিবারে সাথে তার কোন যোগাযোগ নেই। তবে ওই নারী শ্রমিক ৪ বছর বয়সী মেয়ে নিয়ে বাড়িতে থাকেন।
নারী শ্রমিকের লাশ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর স্বামীর বাড়িতে ঘরের বিছানা থেকে উদ্ধার করেন জয়নগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৃত রিক্তা বেগম সাতৈর ইউনিয়নের ডোবরা জনতা জুট মিলে চাকরি করেন। তিনি দুপুরের ডিউটি শেষ করে রাত সাড়ে দশটায় বাড়ি ফেরে। তার পরে সে তার রুমে সোয়ার ঘরে থাকেন। সকালে তার দেবর সোহেলের স্ত্রী মৃতের ঘরে ফ্রিজ থেকে মাছ আনতে যায়, দরজায় গিয়ে ভাবি বলে ডাক দিলে কোন সাড়া না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিয়ে ঘরে ঢুকে দেখতে পান তার বিছানায় ঘুমানো অবস্থায় পড়ে আছে রিক্তা বেগম। কাছে গিয়ে দেখেন তিনি মারা গিয়েছে। পরে ওই দেবরের স্ত্রী চিৎকার দিলে তাদের শাশুড়ি ঘরে ঢুকে দেখেন মৃতের নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসমাইল মোল্যা বলেন, ওই নারী শ্রমিকের ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। তবে ওই নারীর সোয়ার ঘরের বারান্দার কলাপশিবল গেট ও ঘরের দরজা আলগাভাবে লাগানো ছিল। এ মৃত্যু কেমন যেন রহস্য জনক বলে মনে হয়। আবার হার্ড স্ট্রোক করেও মৃত্যু হতে পারে।
|
জয়নগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দিলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে ওই নারী শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে।
জয়নগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সুব্রত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থল থেকে নারী শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই নারী শ্রমিকের লাশ ময়না তদন্তের জন্য ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আইনি ব্যবস্থা প্রকৃয়াধীন রয়েছে।